অনুব্রত মণ্ডলের অনুপস্থিতি পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব আগে থেকেই একথা আন্দাজ করেছিল। কেষ্টর গ্রেফতারির পর রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বীরভুমে এসে অনুব্রতম মণ্ডলকে বাঘের সঙ্গে তুলনা করেছেন। জেলার নেতাকর্মীদের মনোবল যাতে না ভাঙে সেই কারণে খোদ নেত্রীই দলীয় সংগঠনের রাশ নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন। এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে বিজেপি নেতাদেরও তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘কিছু লোক ঘেউ ঘেউ করে বেড়াচ্ছেন। তৃণমূল কংগ্রেস প্রজার দল। যে আগে খেত পেত না সে এখন কোটি কোটি টাকা রোজগার করেন।’
উল্লেখ্য, মমতার এই বীরভূম সফর প্রথম থেকেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। ৩০ জানুয়ারি বীরভূম পৌঁছে বোলপুরে গিয়ে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশ্ববভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জমিজট ইস্যুতে তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। সেদিন সন্ধ্যায় জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা। কোর কমিটিতে অনুব্রত বিরোধী কাজল শেখকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কোর কমিটিতে স্থান পান জেলার দুই সাংসদ শতাব্দী রায় ও অসিত মাল। আগে জেলা কোর কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল ৪, মমতার হস্তক্ষেপে রাতারাতি তা বেড়ে ৭ হয়। খোদ দলনেত্রী সংগঠনের রাশ হাতে তুলে নেওয়ায় দলীয় কর্মীরদের মনোবল বাড়বে বলে আশা রাজনৈতিক মহলের।
