ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের রাঁধুনিকে বেতন দেওয়ার জন্য বন্ধ রাখা হবে একদিনের ডিম ও সবজি, আর সেই টাকা নিয়ে বেতন দিতে হবে রাঁধুনিকে, এমনই অভিযোগ জানিয়েছেন এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তাঁরা ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর থেকেই জানতে পেরেছেন রাঁধুনির বেতন দেওয়ার জন্য শিশুদের খাবার থেকে একদিনের ডিম ও সবজি কেটে নেওয়া হবে। আর এই কথা জানাজানি হতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা, অভিভাবকরা। গ্রামবাসীরা ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।
সূত্রের খবর, ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কোনও স্থায়ী রাঁধুনি ছিল না। ফলে যাকে দিয়ে রান্না করানো হবে তাকে বেতন দিতে গেলে মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) খাবার একদিন বন্ধ করে তার যে খরচ, সেই খরচ দিয়ে রাঁধুনিকে বেতন দেওয়া হবে। এমন সিদ্ধান্ত নেন অঙ্গনওয়াড়ি দিদিমণি, অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা।
অন্যদিকে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর দাবি করেছেন, “সমস্ত কথা বেসরকারি ভাবে বলা হয়েছে। শুধু মুখেই বলা হয়েছে এমন কথা। একথা সুপারভাইজার আমাকে বলতে বলেছিলেন, তাই বলেছি। এই বিষয়ে বেশি কিছু আমার জানা নেই।” এক গ্রামবাসী অভিযোগ করে বলেন, “এই কেন্দ্রে কোনোদিনই মিড ডে মিল ঠিকঠাক ভাবে রান্না হয়না। কেন্দ্রের নিজস্ব কোনও রাঁধুনি নেই, যখন যাকে পাওয়া যায় তাঁকে দিয়েই রান্না করানো হয়। আর এবার শুনছি বাচ্চাদের ডিম সবজি একদিন বন্ধ রাখবে। আমরা সোজা বলে দিয়েছি, এসব চলবে না। বাচ্চাদের বরাদ্দ থাকা ডিম সবজি যদি বন্ধ করা হয়, তাহলে আমরা আরও বড় প্রতিবাদের দিকে যাব।”
