Mid Day Meal : একদিনের মিড ডে মিল থেকে রাঁধুনির বেতন! অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে প্রতিবাদে সরব গ্রামবাসীরা – mid day meal stopped for one day in icds centre for cook fees at gangasagar


West Bengal News : মিড ডে মিল (Mid Day Meal) নিয়ে বিতর্ক থামার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না রাজ্যে। বিগত কয়েকমাস ধরে মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) খাবারের মধ্যে মরা সাপ, টিকটিকি, ইঁদুর, এমনকি আরশোলা নিয়েও তুঙ্গে উঠেছে বিতর্ক, প্রতিবাদ। আর এবার এক অদ্ভুত বিষয়ে নাম জড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার গঙ্গাসাগর (Gangasagar) রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধাকৃষ্ণপুর গ্রামের এক অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের (ICDS Centre)। ওই কেন্দ্রে নাকি একদিনের মিড ডে মিলের ডিম ও সবজি কেটে নিয়ে কেন্দ্রের রাঁধুনির বেতন দেওয়া হবে। আর এই খবরের জেরেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের (ICDS Centre) সামনে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলেছেন, পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ হওয়া ডিম সবজি বাদ রেখে কেন রাঁধুনির বেতন দেওয়া হবে।

Midday Meal Scheme : মিড-ডে মিলে ‘আরশোলা’, নড়েচড়ে বসল জেলা প্রশাসন! একাধিক স্কুলে পরিদর্শন
ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের রাঁধুনিকে বেতন দেওয়ার জন্য বন্ধ রাখা হবে একদিনের ডিম ও সবজি, আর সেই টাকা নিয়ে বেতন দিতে হবে রাঁধুনিকে, এমনই অভিযোগ জানিয়েছেন এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তাঁরা ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর থেকেই জানতে পেরেছেন রাঁধুনির বেতন দেওয়ার জন্য শিশুদের খাবার থেকে একদিনের ডিম ও সবজি কেটে নেওয়া হবে। আর এই কথা জানাজানি হতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা, অভিভাবকরা। গ্রামবাসীরা ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।

Mid Day Meal : অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে খুদে পড়ুয়াদের রান্না, প্রশ্নের মুখে দাসপুরের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র
সূত্রের খবর, ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কোনও স্থায়ী রাঁধুনি ছিল না। ফলে যাকে দিয়ে রান্না করানো হবে তাকে বেতন দিতে গেলে মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) খাবার একদিন বন্ধ করে তার যে খরচ, সেই খরচ দিয়ে রাঁধুনিকে বেতন দেওয়া হবে। এমন সিদ্ধান্ত নেন অঙ্গনওয়াড়ি দিদিমণি, অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা।

Mid Day Meal : মিড ডে মিলের খিচুড়িতে আরশোলা! কেন্দ্রীয় দলের রাজ্যে সফরের মধ্যেই অব্যবস্থার ছবি প্রকট
অন্যদিকে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর দাবি করেছেন, “সমস্ত কথা বেসরকারি ভাবে বলা হয়েছে। শুধু মুখেই বলা হয়েছে এমন কথা। একথা সুপারভাইজার আমাকে বলতে বলেছিলেন, তাই বলেছি। এই বিষয়ে বেশি কিছু আমার জানা নেই।” এক গ্রামবাসী অভিযোগ করে বলেন, “এই কেন্দ্রে কোনোদিনই মিড ডে মিল ঠিকঠাক ভাবে রান্না হয়না। কেন্দ্রের নিজস্ব কোনও রাঁধুনি নেই, যখন যাকে পাওয়া যায় তাঁকে দিয়েই রান্না করানো হয়। আর এবার শুনছি বাচ্চাদের ডিম সবজি একদিন বন্ধ রাখবে। আমরা সোজা বলে দিয়েছি, এসব চলবে না। বাচ্চাদের বরাদ্দ থাকা ডিম সবজি যদি বন্ধ করা হয়, তাহলে আমরা আরও বড় প্রতিবাদের দিকে যাব।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *