বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলরামপুরের বিজেপি বিধায়ক বানেশ্বর মাহাত। বিজেপি কর্মীার মৃত্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘একদিন আগে থেকে এই যুবক নিখোঁজ ছিলেন। তারপরে এইভাবে তাঁর দেহ উদ্ধার হল। পুলিশকে বলব বিষয়টির যথাযথ তদন্ত করতে। এটা আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা না খুন তা খতিয়ে দেখা হোক।’ রেল পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে বলে রেল পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। যদিও রেল পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
বিজেপি কর্মীর মৃত্যুতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান উতোর। বিজেপির পুরুলিয়া জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রক্তের রাজনীতি শুরু করেছে শাসকদল। আগেও এই কাজ করা হয়েছিল। আমার মনে হচ্ছে এটা রাজনৈতিক খুন। কারণ এই অঞ্চলে তৃণমূলের পায়ের তলায় মাটি নেই। সেই কারণে এই কাজ করা হয়েছে। আমার চাই এই ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হোক।’ অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ নস্যাৎ করেছেন পুরুলিয়ার জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনায়। কারও মৃত্যুই কাম্য নয়। প্রাথমিকভাবে শোনা গিয়েছে পারিবারির বিবাদের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশি তদন্তে আসল কারণ বাইরে বেরিয়ে আসবে। বিজেপি অযথা এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছে। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।’
