মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতারির পর পর বুধবার অভিযুক্তকে শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে অসুস্থ স্ত্রী রয়েছেন। স্ত্রীয়ের দেখভালের জন্য বাড়িতে পরিচারিকা রেখে ছিলেন তিনি। বিগত তিন মাস ধরে সেই পরিচারিকাকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় গেখিয়ে আসছেন ওই ব্যক্তি। মঙ্গলবার বিকেলে অভিযোগ পেতেই দেশবন্ধুপাড়ার বাড়িতে যায় মহিলা থানার পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত বৃদ্ধকে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যে বন্দুক দিয়ে পরিচারিকাকে ভয় দেখানো হতো সেই বন্দুকটিও বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে মহিলা থানার পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানান পুলিশ আধিকারিকেরা।
মহিলা থানা সূত্রে খবর যে বন্দুকটি দিয়ে পরিচারিকাকে ওই ব্যক্তি ভয় দেখাত বলে অভিযোগ উঠেছে সেটির সরকারি লাইসেন্স রয়েছে। ওই ব্যক্তি ব্যবসায়ী বলে জানা গিয়েছে। কীভাবে তিনি লাইসেন্সটি পেয়েছিলেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি এই ঘটনায় পরিচারিকাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই হতবাক এলাকার বাসিন্দারা। তাদের দাবি, ওই বৃদ্ধ যে এই কাজ করতে পারেন তা তাদের বিশ্বাসই হচ্ছে না। স্থানীয় বাসিন্দা স্বপন দাস বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে ওনাকে চিনি। ওনার স্ত্রী অনেকদিন ধরেই অসুস্থ। উনি ব্যবসা করেন। স্ত্রীয়ের দেখভালের জন্য বাড়িতে পরিচারিকা রেখেছেন বলে শুনেছিলাম। তবে বাড়ির মধ্যে যে এই কাজ চলছে। তা এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। পুলিশ এই ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিক। এই ধরনের অপরাধের কোনও ক্ষমা হয় না।’
