চার লেন থেকে ছয় লেনে রূপান্তরিত হবে জাতীয় সড়ক। একই সঙ্গে জাতীয় সড়কের দু’ধারে তৈরি হচ্ছে হাইড্রেন। রাস্তা থেকে প্রায় ৮ ইঞ্চি উঁচু করে তৈরি হচ্ছে এই হাইড্রেন। ফলে ল্যাংচার দোকানগুলি ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। তাই সমস্যায় পড়েছেন শক্তিগড়ের ল্যাংচা ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের দাবি, শক্তিগড়ের আমড়া এলাকার দু ধারে ১.৩ কিলোমিটার জুড়ে ৪৬ টি ল্যাংচার দোকান আছে। ল্যাংচা ব্যবসার উপর নির্ভর করে প্রত্যেকের জীবিকা নির্বাহ করে। তবে ১.৩ কিলোমিটারের বেশ খানিকটা অংশ রাস্তার লেভেলে ড্রেন তৈরি হলেও বেশিরভাগ অংশেই রাস্তা থেকে প্রায় ৮ ইঞ্চি উঁচু করে ড্রেন তৈরি করা হচ্ছে। এভাবে উঁচু করে ড্রেন তৈরি হলে এখানে কোনও যানবাহন দাঁড়াতে পারবে না। দোকানের সামনে পাকিং সিস্টেম বন্ধ হয়ে যাবে।
বাইরের জেলা বা অন্যান্য রাজ্যের থেকে আগত যাত্রীরা ল্যাংচার দোকানের সামনে যানবাহন রেখে দোকানে প্রবেশ করে। হাইড্রেন উঁচু হলে দোকানের সামনে ক্রেতারা যানবাহন রাখতে পারবেন না। এর ফলে ব্যবসায়ীরা দারুণ ভাবে ক্ষতির মুখে পড়বেন। ল্যাংচা ব্যবসায়ী বাবুল মণ্ডল জানিয়েছেন, “এই বিষয়ে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ও প্রসাশনে কাছে আমরা বার বার আবেদন করেও কোন কোন সুরাহা হয়নি।” বর্ধমানের গোদার মাঠে প্রশাসনিক সভা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী। তাই ল্যাংচা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আনার জন্য ল্যাংচার দোকানে বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় আশাহত হন তাঁরা। তবে আগামী দিনে নিজেদের দাবিতে অনড় থাকবেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
