জানা গিয়েছে, আসানসোল আগুরিপাড়ার বাসিন্দা মাম্পি সিংয়ের কয়েকবছর আগে বিয়ে হয়েছিল রূপনারায়নপুরে। তার দুটি পুত্র সন্তানও হয়েছিল। কিন্তু সাংসারিক অশান্তির কারণে মাম্পি স্বামী ও ছেলেদের ছেড়ে দিয়ে এসে বাপের বাড়িতে থাকতে শুরু করে। সন্তানদের নিজের শ্বশুরবাড়িতেই ছেড়ে আসেন তিনি। এরপর গত বছর পুজোর সময় মুকেশের সঙ্গে আলাপ হয় মাম্পির। ধীরে ধীরে সখ্যতা বাড়ে। অভিযোগ, স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়েই মুকেশের সঙ্গে লিভ-ইন করতে শুরু করেন মাম্পি সিং। আসানসোলের উষাগ্রাম গোয়ালাপাড়া এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেন দুজনে মিলে। এরপর শনিবার মুকেশের বাড়িতে ফোন করে মাম্পি জানায়, মুকেশ বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে আসানসোল জেল হাসপাতালে পাঠায় ময়না তদন্তের জন্য।
মুকেশের বাড়ির লোকের দাবি, তাঁদের বাড়ির ছেলে কোনওভাবেই আত্মহত্যা করতে পারে না। তাঁকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। এ ব্যাপারে ওই মহিলার দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে পরিবারের সদস্যরা। খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয় আসানসোল দক্ষিণ থানায়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মাম্পি সিং নামে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতারির পরে মাম্পি সিং অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাঁকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার তাঁকে তোলা হয় আসানসোল আদালতে। আদালত মাম্পি সিংকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।