রাস্তাঘাট, পানীয় জল সহ অন্যান্য পরিষেবা ঠিকঠাক আছে কিনা তাও গ্রামবাসীদের মুখ থেকে শোনেন পুলিশ আধিকারিকরা। সরকারি অফিস, BDO অফিসে কিংবা থানাতে গেলে তাদের সঙ্গে যথাযথ ব্যবহার করা হয় কিনা বা তাদের কথা শোনা হয় কিনা তাও জানতে চান পোলবা থানার অফিসাররা। মানুষের সমস্যার কথা শুনতে পুলিশের এই ভূমিকায় কিন্তু কিছুটা হলেও হতবাক গ্রামবাসীরা। পোলবা থানার (Polba Police Station) বীরেন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দা রাজকুমার সাঁতরা বলেন, “এটা দেখে ভালো লাগছে যে এই প্রথম কোনও প্রশাসনের লোক এলাকায় এসে মানুষের খবর নিচ্ছেন। আমরা পুলিশকে জানিয়েছি, এখানে রাস্তা পিচের হলে ভালো হয়। এবং নদীর সেতুটা চওড়া হলে ভালো হয় । ওঁনারা আশ্বাস দিয়েছেন বিষয়টা সমাধানের জন্য আবেদন করবেন”।
হুগলি জেলা গ্ৰামীন পুলিশ সুপার অমনদীপ জানিয়েছেন, “মানুষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে কয়েক দিন ধরেই এই ধরনের প্রয়াস চলছে বিভিন্ন থানায়। মানুষের সঙ্গে কথা বলার পর, বিষয়গুলো বিবেচনা করে হুগলি জেলা শাসককে জানানো হবে”। হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মনোজ চক্রবর্তী বলেন, “বাড়ি বাড়ি নয় হয়তো পাড়ায় পাড়ায় যাচ্ছে পুলিশ। একটা বিষয় পরিষ্কার মানুষের সঙ্গে যদি পুলিশের একটা ভালো সম্পর্ক না থাকে, তাহলে আপনারা জানেন একটা থানা এলাকায় এক লাখ মানুষ বসবাস করেন, আর পুলিশ থাকেন দশ থেকে বারো জন মাত্র। তাহলে প্রশাসন শান্তিপূর্ণ ভাবে চলতে পারে না। সেই সূত্রেই যেতে পারে। এটা পুলিশের দেখার দায়িত্ব।
অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলো পুলিশ ভিজিট করছেন, এটাওতো পুলিশ করছেন। আমরাও বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি, পুলিশ ও যাচ্ছে। যাতে এটা নোট থাকে কোন বাড়ির লোক কি কি অভিযোগ করেছে”। অন্যদিকে BJP হুগলি সংগঠনিক জেলা সাধারন সম্পাদক সুরেশ সাউ জানান, “পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে দিয়ে জনগণের মধ্যে একটা ভয় সৃষ্টি করাতে চাইছে শাসকদল। আদতে পুলিশের কাজ হচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখা। কিন্তু তৃণমূল এতটাই দুর্নীতি করে ফেলেছে তারা এখন মানুষের কাছে পৌঁছতে পারছে না”।