Hooghly News: আশীর্বাদ সোশাল মিডিয়া! কয়েকমাস ধরে নিখোঁজ নবতিপর মায়ের সন্ধান ছেলের – hooghly man found his old mother from social media post


সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া মাকে ফিরে পেল ছেলে। হুগলি জেলা গুড়াপ থানার খরুয়া গ্রামের বাসিন্দা খেদিবালা ভূমিজের বয়স প্রায় ৯০ বছর। একদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে মাকে খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন ছেলে সুরেন ভূমিজ। শেষমেশে সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে সন্ধান পাওয়া গেল বৃদ্ধার। বেশ কয়েকদিন ধরেই চুঁচুড়ার ঘড়ি মোড়ে ভবঘুরে মতোর ঘুরে বেড়াত দেখা যাচ্ছিল এক বৃদ্ধাকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া খাবার খেয়ে গাছতলায় শুয়ে দিন কাটছিল বৃদ্ধার। স্থানীয় এক পুলিশকর্মীর উদ্যোগে অবশেষে ছেলে কাছে ফিরে যেতে পেরেছেন তিনি।

Barrackpore Police Commissionerate : খুনি-লুটেরাকে ধরতে ফেসবুকে পোস্টার দিয়ে ইনাম ঘোষণা পুলিশের
দিন তিনেক আগে সন্ধ্যায় আমরাতলা আবাসনে ঢুকে গাছের পাতা কুড়োচ্ছিলেন ওই বৃদ্ধা। আবাসনের বাসিন্দা পুলিশকর্মী সুকুমার উপাধ্যায় বৃদ্ধাকে দেখতে পান। তাঁর সঙ্গে কথা বলে তিনি বুঝতে পারেন বৃদ্ধার মানসিক কিছু সমস্যা রয়েছে। আবাসনে বাসিন্দারা তাঁকে ডেকে খাবার খেতে দেন। রাতে শীতের পোশাক ও চাদর দিয়ে তাঁর থাকার ব্যবস্থাও করে দিয়েছিলেন তাঁরা। বৃদ্ধার অপরিষ্কার শাড়ি বদল কতে তাঁকে স্নান করানো হয়। বৃদ্ধার নিজের বাড়ির ঠিকানা সঠিকভাবে বলতে পারছিলেন না। আবাসনের ওই পুলিশকর্মী বৃদ্ধার ছবি ফেসবুকে দিয়ে বিজ্ঞাপন দেন। সন্ধান পেলে যোগাযোগ করতে বলেন। চুঁচুড়া আদালতে কর্মরত ধনিয়াখালির এক বাসিন্দা ফেসবুকে বৃদ্ধার ছবি দেখে চিনতে পারেন। সুকুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বৃদ্ধার বাড়ির ঠিকানা দেন। ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার পর গুড়াপ থানার মাধ্যমে খবর নেন সুকুমার।

Malda News : মালদায় জলাশয় থেকে উদ্ধার দুর্গামূর্তি, মন্দির প্রতিষ্ঠার দাবি গ্রামবাসীদের
গুড়াপ থানার খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করতে বৃদ্ধার ছেলে সুরেনের সন্ধান মেলে। সুরেনের কাছেও তাঁর মাকে খুঁজে পাওয়ার খবর পৌঁছে দেওয়া হয়। শনিবার চুঁচুড়ার ওই আবাসন থেকে মাকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান ছেলে। আবাসনের বাসিন্দারা তাঁর মাকে যেভাবে যত্ন করেছেন তার জন্য সারাজীবন তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবেন, এমনটাই জানিয়েছেন সুরেন। পুলিশকর্মীদের পরিবার যাওয়ার আগে বৃদ্ধাকে কিছু টাকা, খাবার ও জামা কাপড় তুলে দেন। সুকুমারবাবু, তাঁর সহকর্মী বরুণ ঘোষ সহ আবাসনের মানুষদের ব্যবহারে আপ্লুত বৃদ্ধাও। ছেলেকে অনেক দিন পর দেখে তার গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন ‘আমার ছেলে’। এতদিনপর মাকে কাছে পেয়ে সুরেনের তখন চোখের কোণাও চিক চিক করে ওঠে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *