উদ্যোক্তাদের দাবি, কুম্ভ মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নাগা সাধু, সন্ন্যাসীদের সমাগম হবে। সনাতন ধর্মের পরম্পরা অনুসরণ করে এই কুম্ভ মেলায় শাহি স্নান, বিশ্ব শান্তি যজ্ঞ, গঙ্গা আরতি এবং ধর্মসভা সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান হবে পাঁচ দিন ধরে। সকাল থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় রয়েছে দর্শনার্থীদের। সব মিলিয়ে জমজমাট কল্যাণীর মাঝেরচরের কুম্ভ মেলায়। মেলা উপলক্ষে। বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।
‘কুম্ভমেলা’ (Kumbh Mela) বললেই আমরা সাধারণত গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতীর সংযোগস্থল অর্থাৎ প্রয়াগরাজে সম্পন্ন হওয়া বিশাল মেলার কথাই জানি। যেখানে পুণ্যস্নানের জন্য দেশ-বিদেশ থেকে উপস্থিত হন লাখ লাখ পুণ্যার্থী। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, যুক্তবেণী ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যস্নানের মাহাত্ম্যও অনেক বেশি। তবে কুম্ভ মেলার আয়োজন হতে চলেছে আমাদের রাজ্যেও। নদিয়ার (Nadia) মাঝের চর ঘাটে অনুষ্ঠিত হবে পুণ্যস্নান।
দীর্ঘ ৭০৪ বছর পর ফের সেই মেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। যার জন্য চলছে বিশাল আয়োজনও। প্রথম থেকেই মেলা এই স্থানেই হয়ে আসছে। যদিও, পরবর্তী সময়ে মেলাটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে, চলতি বছরে বঙ্গ কুম্ভ পরিষদের হাত ধরে ফের একবার শুরু হতে চলেছে এই ঐতিহ্যবাহী মেলাটি। যদিও, পরবর্তী সময়ে মেলাটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে, চলতি বছরে বঙ্গ কুম্ভ পরিষদের হাত ধরে ফের একবার শুরু হতে চলেছে এই ঐতিহ্যবাহী মেলাটি। মেলাটির একদিকে রয়েছে মাঝের চর গঙ্গার ঘাট এবং অন্যদিকে রয়েছে ত্রিবেণী গঙ্গার ঘাট। সারাদেশ থেকে প্রায় ২ হাজার নাগাসাধু অংশগ্রহণ করবেন। পাশাপাশি, তিনদিন যাবৎ চলবে বিশ্বশান্তি যজ্ঞ।
এছাড়াও, থাকছে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পুষ্পবর্ষণের ব্যবস্থাও। ইতিমধ্যেই মেলাটিকে ঘিরে চরম প্রস্ততি পরিলক্ষিত হয়েছে। বঙ্গ কুম্ভ মেলা পরিষদ সভাপতি শ্রীমৎ রঞ্জিতানন্দ গিরিজী মহারাজ বলেন, “অনেক নাগা সন্ন্যাসীরা এসেছেন। সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রিত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন আমাদেরকে প্রয়োজনের থেকে বেশি সাহায্য করেছে।” মেলার আয়োজনকে ঘিরে পুণ্যার্থীদেরও উৎসাহ দেখা হয়েছে সমান পরিমাণে।
