স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, নতুন তৈরি হওয়া পানশালার কাছে রয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত, বিদ্যালয়, পাশাপাশি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যেখানে এসে বিশ্রাম নিতেন সেই অদ্বৈত পাঠ। এই অদ্বৈত পাঠে গোটা দেশ থেকে ভক্তরা আসেন দর্শন করতে। এমন জায়গাতে পানশালার অনুমতি কীভাবে দেওয়া হল, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিবেশ কর্মীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এ বিষয়ে। শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপনউতোর। যদিও আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক।
স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই সিঙ্গিং বার তৈরির কথা জানতে পারি, তখন এই বার সরকারি অনুমোদন পায়নি। আমরা তখন এর প্রতিবাদ করেছিলাম। স্থানীয় বাসিন্দারাও এর প্রতিবাদ করেছি। এমনকী প্রশাসনের কাছে লিখিত আপত্তি জানানো হয়েছিল। ইতিমধ্যে এই বার চালু হয়ে গিয়েছে। ঘন জনবসতি এলাকায় এই ধরনের বার কীভাবে অনুমোদন পেল? আমার মনে হয় এর সঙ্গে বিরাট অর্থের লেনদেন রয়েছে। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হবে। কীভাবে অনুমোদন পেল, তা সরকারের থেকে আমার জানতে চাই।” এই পানাশাল নিয়ে মুখ খুলেছেন রাণাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারও। তিনি বলেন, “কীভাবে ওইরকম একটি জনবহুল এলাকায় পানশালার অনুমতি দিল সরকার? বর্তমান শান্তিপুরের বিধায়কের এই নিয়ে লজ্জা হওয়া উচিত।” স্থানীয় বিধায়ক শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী এই প্রসঙ্গে বলেন, “হোটেলটি কুড়ি বছর আগে চালু হয়েছিল তখন বিরোধীরা কোথায় ছিল? আমি আইন পরিষদের একজন সদস্য। সেই কারণেই আমি কী পদক্ষেপ নেব সেটা নিশ্চয়ই ঢাক-ঢোল পিটিয়ে করব না। আগামী এক মাসের মধ্যেই কী ব্যবস্থা নিই, সেটা সকলের সামনে পরিষ্কার হয়ে যাবে।”
