পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজেদের বসত বাড়িটি সম্প্রতি অন্য একজনের কাছে বিক্রি করে দেন আব্দুস। বাড়ি বিক্রির টাকা সমান ভাগে তিন ছেলেকে ভাগ করেও দেন তিনি। কিন্তু টাকার ভাগ অঙ্ক ও বাড়ি বিক্রির সিদ্ধান্তে অখুশি ছিল তাঁর ছেলে মোশারফ।
মোশারফের সঙ্গে এই আব্দুসের মাঝেমধ্যেই বচসা হতো বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মাঝেমধ্যেই এই নিয়ে বাবা ছেলের বিবাদ চরম আকার ধারণ করত। বৃহস্পতিবার সকালে আরও একবার একই বিষয় নিয়ে মোশারফের সঙ্গে বিবাদ শুরু হয় আব্দুসের।
বিবাদ চরম পর্যায়ে পৌঁছতেই বাবার উপর হাসুয়া নিয়ে চড়াও হয় মোসারফ। ক্রমাগত কোপাতে থাকে এবং তাঁর পেটেও আঘাত করা হয়। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় আব্দুস সাত্তার নামে ওই ব্যক্তিকে অনুপনগর হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরিবারের আরও তিন সদস্য মোসারফের আক্রমণে জখম হয়েছেন। স্থানীয়দের তরফে ছেলের হাতে বাবা খুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালের এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।
মৃত ব্যক্তির আরও এক ছেলে বলেন, ‘আব্দুস বাড়ি বিক্রি করে ছেলেদের টাকা দিয়েছিল। ছেলেদের বাড়ি তৈরির জন্য টাকা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ছেলে বাড়ি খালি করেনি। যে বাড়ি কিনেছিল সে বারবার বাড়ি খালি করার জন্য বাবার উপর চাপ দিচ্ছিল। বাবা বাড়ি করতে বলায় এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে।’
হাঁসুয়ায় আক্রান্ত অন্যান্যরা এই প্রসঙ্গে কোনও কথা বলতে চাননি। আক্রমণে তারা গুরুতর জখম হয়েছেন। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ, ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
