DA আদায়ের দাবিতে আগামী ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি রাজ্য জুড়ে কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকারের একাধিক কর্মচারী সংগঠন। তবে এই ঘোষণার পরেই রাজ্য সরকারের তরফে একাধিক কড়া নির্দেশিকা জারি্ করা হয়েছে। নির্দেশিকায় জানানো হয়, আগামী ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারি কর্মচারীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
যাঁরা ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটিতে রয়েছেন তাদেরকেও আগামী সোমবার কাজে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি কর্মচারীদের কোনও ক্যাজুয়াল লিভ বা কোনও ধরনের ছুটি দেওয়া হবে না। অর্ধ দিবস বা হাফ ছুটিও দেওয়া হবে না। কার্যত সরকারি কর্মচারীদের সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের কর্মবিরতি কর্মসূচিকে কড়া হাতে দমন করে চাইছে রাজ্য সরকার।
সরকারের এই মনোভাবের তীব্র সমালোচনা করেন দিলীপ। তিনি বলেন, “কর্মচারীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবেন, আবার চোখও দেখাবেন এরকম কদিন চলতে পারে।”
উল্লেখ্য, চলতি অর্থ বছরের বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৩ শতাংশ DA ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। তবে মাত্র ৩ শতাংশ DA বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে না সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। দিলীপ বলেন, “ওঁরা যখন অবস্থান বিক্ষোভ করছিল, তখন তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা হয়েছে, কথা বলতেও রাজি নয় তাঁদের অধিকার নিয়ে। গায়ের জোরে, ডাণ্ডা দেখিয়ে কতদিন কাজ করানো সম্ভব?”
অন্যদিকে, দীর্ঘসময় বাদে রাজ্য সরকারের GST বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। বেশ কিছু শর্ট আরোপ করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের অ্যাকাউন্টস জেনারেল হিসাব দেখাতে পারেনি বলেই রাজ্যের GST বকেয়া পেতে দেরি হল বলে দাবি দিলীপের।
তাঁর কথায়, “পাঁচ বছর ধরেই সরকারের GST নিয়মিত কোনও লেনদেনের রিপোর্ট দেয়নি। কারণ এই সরকার কোনও হিসাব রাখে না। কেন্দ্রীয় সরকার যেটা দেওয়ার দিয়ে যাচ্ছে। এরা মিথ্যা অভিযোগ করছে।” উল্লেখ্য, কেন্দ্রের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী রাজ্য GST ক্ষতিপূরণ বাবদ পাচ্ছে ৬ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা।
