Manik Bhattacharya Son Wife : আদালতেই গ্রেফতার মানিকের স্ত্রী-পুত্র, এবার জেলে মানিক অ্যান্ড ফ্যামিলি – manik bhattacharya son and wife arrested from bankshall court today


আত্মসমর্পণের পর আদালতেই গ্রেফতার করা হল মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী এবং পুত্রকে। বুধবার প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য এবং তাঁর ছেলে শৌভিক ভট্টাচার্যকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়। তাঁদের জামিনের আর্জি জানান আইনজীবী। অপরদিকে, একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন ED-র আইনজীবী। শেষ পর্যন্ত বিচারক শতরূপা এবং শৌভিকের জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন। ফলে আদালতেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের।

Manik Bhattacharya Son : নজরে মানিক পুত্রর লন্ডন সফর, রহস্য উদঘাটনে বিদেশ মন্ত্রকের সাহায্য নিচ্ছে ED
আগামী ৬ মার্চ পর্যন্ত তাঁদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মানিক পত্নী ও তাঁর ছেলেকে। প্রেসিডেন্সি জেলে পাঠানো হয়েছে শৌভিক ভট্টাচার্যকে। আলিপুর মহিলা সংশোধানাগারে পাঠানো হয়েছে মানিকের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্যকে। ফলে এবার থেকে জেলেই মানিকের সংসার।

Tapas Mondal Arrested : CPI কর্মী থেকে ‘গোল্ড মেডেলিস্ট’ শিক্ষাবিদ! কী ভাবে কোটি কোটি টাকার লেনদেনে জড়ান তাপস?

বিস্ফোরক অভিযোগ ED-র

মানিক ভট্টাচার্যের পুত্র শৌভিককে নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে ED। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, শৌভিক ভট্টাচার্য একাধিকবার লন্ডন যাত্রা করেছেন। অথচ ২০১৭ সালের মে এবং জুলাই মাসে তাঁর দু’বার লন্ডন যাত্রার তথ্য গোপন করে গিয়েছেন। যা পরবর্তীকালে তদন্তে উঠে এসেছে। এই নিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের সাহায্য নিচ্ছে ED। অভিবাসন দফতরের সাহায্যে শৌভিক ভট্টাচার্যের এই বিদেশ যাত্রার তথ্য যাচাইয়ের চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

TET Recruitment Scam : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার CBI-র হাতে গ্রেফতার মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস
অন্যদিকে, মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রীর বিরুদ্ধেও একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ আনা হয়েছে। ED-র তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গেই জড়িত ছিলেন তাঁর স্ত্রী। নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক তথ্য তিনি জানেন। তাঁকে জেরা করে এই দুর্নীতিকাণ্ডে বিভিন্ন রহস্য ফাঁস হতে পারে জানাচ্ছেন ED আধিকারিকরা। ফলে অবিলম্বে তাঁদের দু’জনকেই হেফাজতে নেওয়া জরুরি করে জানান ED-র আইনজীবী।

লন্ডনে শৌভিক ভট্টাচার্যের বাড়ি রয়েছে তা কী ভাবে প্রমাণিত হচ্ছে? ED-র আইজীবীদের প্রশ্ন করেন বিচারক। পালটা আইনজীবী জানান, আবাসিক ভিসার আবেদন জানিয়েছিলেন শৌভিক। এর থেকেই প্রমাণিত তিনি তথ্য গোপন করছেন। এর প্রেক্ষিতে বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে ED আধিকারিকরা যোগাযোগ করেছেন বলেও জানানো হয় আদালতে।

Partha Arpita : ভার্চুয়াল স্ক্রিনে ভেসে উঠল মুখ, আদালতে হঠাৎ দেখা পার্থ-অর্পিতার
কাঠগড়ায় তোলা হলে মানিক পুত্র বলেন, “২০১৬ সালের অগাস্ট মাসে আমি প্রথম লন্ডনে গিয়েছিলাম। পড়াশোনার জন্যই ভিসার আবেদন করেছিলাম। বায়োমেট্রিক রেসিডেন্ট পারমিট দেওয়া হয়েছিল সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। আমার কোনও বাড়ি নেই। আমি লন্ডনের বোর্ডিংয়ে থাকতাম। ২০১৭ সালে আমি কোনও ভিসার আবেদন করিনি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *