Gopal Dalapati News: জীবনে ছিলেন না অভিনেত্রী হৈমন্তী, অতীতে পান বেচতেন অঙ্কের মাস্টার হয়ে ওঠা গোপাল – gopal dalapati whose name in teacher recruitment case says he use to sell paan


সুন্দরী স্ত্রী, বিলাসবহুল জীবন! এখন বাংলার অনেকেরই হিংসার কারণ গোপাল দলপতির জীবনযাত্রা। কিন্তু, এই গোপালই একসময় পানের দোকানে কাজ করতেন। সংসার টানতে দিনের পর দিন সেই গুমটি দোকানই ছিল গোপালের ভরসা। সম্প্রতি ‘টিভি ৯ বাংলা’-কে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন গোপাল। সেখানেই তিনি অতীতের পাতা উলটেছেন। গোপালকে অঙ্কের শিক্ষক হিসেবে অনেকেই চেনেন। কিন্তু, পানের দোকান?

Haimanti Ganguly Mother : ‘সৎ বংশ, কোনও দু’নম্বরি করতে পারে না’, সুর বদলে অভিনেত্রী হৈমন্তীকে ‘ক্লিনচিট’ মায়ের
সাক্ষাৎকারে গোপাল জানান দমদম ক্যান্টনমেন্টে একটি পানের দোকানের উপরেই তাঁদের গোটা সংসার নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু, সংসারে বাজ পড়েছিল গোপালের বাবা অসুস্থ হওয়ার পর। সেই সময় বাবার পাশে দাঁড়াতে গ্রাম থেকে কলকাতায় পা রাখা গোপালের। পড়াশোনা সেই সময় শিকেয় উঠেছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। মাঝে মধ্যে পানের দোকানে বসতেন তিনি।

Haimanti Ganguly : হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের সিঁড়িতে ৩ টেট প্রার্থীর নাম, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আন্দোলনকারীদের
গোপাল বলেন, “অনেক অফিসাররা আমাদের দোকানে পান খেতে আসত। গল্প করত। ওদের দেখে কষ্ট হত। জীবনে পড়াশোনা না করলে এগোন অসম্ভব সেই সময় বুঝেছিলাম।” গোপালের সংযোজন, “ওই দোকানে বসেই পড়াশোনা করে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করি। এরপর মতিঝিল কলেজে অংক নিয়ে পড়াশোনা করি।” পানের দোকানের এক খদ্দেরের মেয়েকে প্রথম টিউশন পড়ান তিনি, দাবি গোপাল দলপতির।

পানওয়ালার অঙ্কের শিক্ষক হওয়ার ঘটনায় তিনি প্রচারও পেয়েছিলেন এলাকায়। অনেকেই তাঁর কাছে পড়তে আসা শুরু করেছিলেন বলে দাবি গোপালের। উল্লেখ্য, দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশেই দেখা গিয়েছে গোপালকে। হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ দাবি করেছিলেন, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হৈমন্তী। এরপর থেকেই অভিনেত্রী তথা মডেল হৈমন্তীর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কোথায় রয়েছেন তিনি? সেই বিষয়ে উঠছে প্রশ্ন।

Haimanti Ganguly: বর্ষায় অর্পিতা, বসন্তে হৈমন্তী! নিয়োগ দুর্নীতির পরতে পরতে ‘গেস্ট অ্যাপিয়ারেন্স’ রহস্যময়ীদের
কিন্তু, হৈমন্তীর পাশে দাঁড়িয়ে গোপাল দলপতি দাবি করেছেন, নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে হৈমন্তীর কিছু জানা নেই। ও এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নয়। একইসঙ্গে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে, এই দাবিও করেন গোপাল। তবে এখনও সার্টিফিকেট হাতে পাননি বলেই দাবি করেছেন তিনি।

পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে তাঁর নাম নিয়ে হইচই চলছে। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে মোটেও ভাবিত নন তিনি। গোপাল বলেন, “সকলেই আমার নাম নিচ্ছে। এতে আমার আলাদা করে কোনও সমস্যা নেই।” প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হৈমন্তীর নাম জড়ানোর পর থেকেই হইচই শুরু হয়েছে। যদিও তাঁর মা দাবি করেছেন হৈমন্তী নির্দোষ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *