তাঁর দাবি, তৃণমূল ক্ষমতার আসার পর রাজ্যে সবধরনের নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের চোরদের বাড়ি গাড়ি নিলাম করে গরিব মানুষের টাকা ফেরত দিতে হবে। আর নিয়োগ দুর্নীতিতে রাঘববোয়াল ধরতে ED CBI-র ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। তাঁর আক্রমনের লক্ষ্যবস্তু ছিল রাজ্যের সংবাদমাধ্যমও।
তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের নিয়োগে দুর্নীতির জেরে বাড়ছে বেকারত্বের ঘটনা৷ ফসলের দাম পাচ্ছেন না চাষিরা৷ আলুচাষিরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হচ্ছে৷ এগুলো রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর বিষয় নয়! অথচ সে সব ছেড়ে দিয়ে মিডিয়া ব্যস্ত রাজভবন ও নবান্নের তামাশা নিয়ে”! তিনি প্রশ্ন তোলেন, “কে এই রাজ্যপাল?”
খানিক থেমে জবাবও দিয়েছেন সেলিম৷ “সাংবিধানিক পদের দোহাই দেওয়া হলেও রাজ্যপাল আদতে তো কেন্দ্রের এজেন্ট! উনি এখানে এসে কি কাজ করছেন? কখনও মমতার এজেন্ট, তো কখনও মোদীর এজেন্ট৷ রাজ্যপালের আলাদা কোনও অস্তিত্ব আছে! নেই!”
একই সঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, “তৃণমূল ক্ষমতার আসার পর নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। তাই আমরা বলব,তৃণমূলের যত চোর, জোচ্চর, ছ্যাঁচড় নেতা আছে তাদের গাড়ি বাড়ি তো বটেই জামা কাপড়ও খুলে নিলাম করতে হবে৷ সেই নিলামের টাকা তুলে দিতে হবে বঞ্চিত গরিব মানুষের হাতে”।
একই সঙ্গে মিডিয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর পরামর্শ, “রাজভবন ও নবান্নের মধ্যে কোনও তফাৎ নেই। আপনারা প্লিজ, এসব গল্পে যাবেন না”। তিনি আরও বলেন, “রাজ্যপাল ও রাজ্য সরকারের দ্বন্দ্বের নাটক আমরা এর আগে অনেক দেখেছি। জগদীপ ধনখড় ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে কম বিরোধের নাটক দেখলাম! কিন্তু কিছুদিন পরেই দেখা গেল দার্জিলিংয়ের বাংলোতে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী, তৎকালীন রাজ্যপাল ও আসামের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক। তারপরেই তিনি হয়ে গেলেন উপরাষ্ট্রপতি। এগুলো মিডিয়াকে খাওয়ানো হয়, আর মিডিয়াও গল্পগুলো খেয়ে নেয়”।
মহম্মদ সেলিম ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন CPIM নেতা রবিন দেব, গার্গী চ্যাটার্জি প্রমুখ।
