Anubrata Mondal : কখনও মনমরা, কখনও আঙুল উঁচিয়ে চেনা ছন্দে! দোল পূর্ণিমায় কী আছে কেষ্টর কপালে? – anubrata mondal body language while he was taken to kolkata from asansol jail


‘চড়াম চড়াম’, ‘গুড় বাতাসা’-র মতো হুংকার শোনা যেত তাঁর কণ্ঠে। তাঁর এক হাঁকে বীরভূমে ‘বাঘে গোরুতে এক ঘাটে জল খেত’। গ্রেফতারির পরও স্বমহিমাতেই দেখা গিয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। ২০২২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর, আদালতে যাওয়ার পথে তিনি বলেছিলেন, “সারা জীবন কেউ জেলে থাকে না।”

কিন্তু, দোলের দিনে আসানসোল সংশোধনাগার থেকে কলকাতায় আসার পথে কোনও শব্দ খরচ করেননি এই দাপুটে নেতা। মঙ্গলবার সকালেই পুলিশি প্রহরায় অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে কলকাতায় উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশ। এদিন সংশোধনাগারের বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও কোনও কথা বলেননি তিনি।

Anubrata Mondal : দোলের দিনই ঠিকানা বদল অনুব্রতর, পুলিশি প্রহরায় আনা হচ্ছে কলকাতায়
কিছু বলতে গিয়েও আটকে যান। এমনকী, শক্তিগড়ে প্রাতঃরাশ সারার সময়ও কারও সঙ্গে বিশেষ বাক্য বিনিময় করেননি তিনি। তাঁর এই মেজাজ একেবারেই ‘কেষ্ট সুলভ’ নয় বলেই দাবি ঘনিষ্ঠমহলের। আসানসোল সংশোধনাগার থেকে তাঁকে বার করার পর সেখানে ‘উৎসবের মেজাজ’-এ দেখা যায় BJP কর্মীদের।

যদিও সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের সূত্রে খবর, জেল কর্মীদের একাংশ বিষন্ন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সংশোধনাগার কর্মী বলেন, “এত দিন অনুব্রত মণ্ডল এখানে ছিলেন। কিন্তু, কোনও অশান্তি করেননি তিনি। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ও কখনও অসুবিধায় পড়তে হয়নি।”

Anubrata Mondal News: সব আশা শেষ, দোলের দিনই দিল্লি যাত্রা কেষ্টর?
প্রাতঃরাশের জন্য দোকানে প্রবেশ করার সময় এক সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেন, “আপনাকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, কিছু বলবেন?” এই প্রশ্ন শুনে অনুব্রত মণ্ডল আঙুল তুলে কিছু বলেন। যদিও ঠিক কী বলেছেন তিনি? তা কিন্তু স্পষ্ট নয়।

বঙ্গ রাজনীতিতে বরাবরই অত্যন্ত জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর ‘ভোকাল টনিক’ রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে থেকেছে বরাবর। ‘নকুলদানা’ থেকে শুরু করে ‘শুঁটিয়ে লাল করে দেব’, কেষ্ট উবাচ নিয়ে বাংলার রাজনীতির বাতাসে একদিকে যেমন ‘লু’ বইয়েছে কখনও সখনও তেমনই নেটপাড়ায় হাসির বন্যাও বয়েছে।

Anubrata Mondal : ‘ওজন বেড়েছে, নেই ফিসচুলার সমস্যাও’, ডাক্তারের পরামর্শে ফের জেলমুখী অনুব্রত
এদিন শক্তিগড়ে ল্যাংচা কুচি থেকে ৪টি ডালপুরি ও আলুর তরকারি। মেনুতে একটি রসগোল্লা এবং একটি ল্যাংচা থাকলেও সুগার থাকার জন্য তা খাননি তিনি। খাওয়া দাওয়ার পর ফের তাঁকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশ। কলকাতায় জোকা ESI হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হতে পারে অনুব্রত মণ্ডলের। এরপর তাঁকে ED-র হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, গত বছর অগাস্ট মাসে CBI-এর হাতে গ্রেফতার হন অনুব্রত মণ্ডল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *