জানা গিয়েছে, ওই বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধেই এই অনৈতিক কাজ কর্ম চালানোর অভিযোগ উঠেছে। তাঁর নাম রাখাল চৌধুরী। সূত্র মারফত খবর পেয়ে বুধবার রাত্রে ওয়েস্ট বেঙ্গল ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরোর আধিকারিকরা পৌঁছায় নাগেরবাজার এর কাছে রাখাল চৌধুরীর বাড়িতে। সঙ্গে ছিল নাগেরবাজার থানার পুলিশ।
বাড়ি তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ। একে একে বেরিয়ে আসে একাধিক বন্য প্রাণীর চামড়া, নখ। রাখাল চৌধুরীর সংগ্রহে ছিল বাঘের নখও। উদ্ধার হয় একাধিক মৃত প্রাণীর কঙ্কাল, মানুষের মাথার খুলি। অবৈধভাবে এগুলি বাড়িতে রাখার জন্য রাখাল চৌধুরি সহ দুলাল অধিকারী ও অরিজিত গুপ্ত নামে তার দুই সঙ্গীকেও গ্রেফতার করে আধিকারিকরা। অপর মূল অভিযুক্ত সৌরভ চৌধুরী ঘটনাস্থল থেকে পলাতক। বনদফতরের পাশাপাশি তদন্তে নাগেরবাজার থানার পুলিশ
শুধু প্রাণীর নয়, মানুষের দেহাবশেষ মিলেছে ওই বাড়িতে। রাখাল চৌধুরীর বাড়ি থেকে পাঁচটি নরকঙ্কালের মুন্ডু মিলেছে বলেও খবর। তবে সেগুলি আসল নরমুন্ড কিনা, সে বিষয়ে এখনও সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে তন্ত্রসাধনার নামে অনৈতিক কাজকর্ম হত। বাড়ি মালিকের সন্দেহজনক কাজকর্মের কথা সম্প্রতি এক আইনজীবীকে জানান বাসিন্দারা। তিনিই ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান চালায় বনদফতরের আধিকারিকরা। নাগেরবাজার থানা এলাকার প্রাইভেট রোডে হানা দিয়ে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ অ্যাক্টে এই অভিযান চালায় তারা। তাতেই সামনে আসে আসল রহস্য।
