এদিন সেই ঘোষণা মতোই স্কুলে আসেননি কোনও শিক্ষক। উপস্থিত ছিলেন শুধুমাত্র চার জন আংশিক সময়ের শিক্ষক। তাদের নিয়ে পরিচালন সমিতির সভাপতি পড়ুয়াদের পড়ানো শুরু করেন। তাদের জন্য মিড ডে মিল-এরও ব্যবস্থা করেন।
এদিনের ঘটনায় সভাপতি বলেন, ”বৃহস্পতিবারই শিক্ষকেরা বলল ধর্মঘট করবে। আমি বললাম স্কুল চালু থাকবে এবং মিড ডে মিলও হবে। সেই মত অস্থায়ী শিক্ষকরা তাদের সাধ্য মত ক্লাস করেন। আমিও কয়েকটা ক্লাস নিয়েছি।আগে শিক্ষকতা করতাম ।অনেক দিনের অনভ্যাসে কিছুটা ভুলে গিয়েছি। তবে যা জানি তাই পড়িয়েছি।”
অন্যদিকে, অস্থায়ী শিক্ষকদের ডিএ-এর কোনও বিষয় নেই। তাই তারা অন্যদিনের মতোই এদিনও স্কুল এসেছিলেন। তবে ২৪ জনের বদলে মাত্র ৪ জন শিক্ষক এদিন গোটা স্কুল, মিড ডে মিল সামলাতে হিমশিম খেয়ে যান।
অস্থায়ী শিক্ষক অর্পণ মল্লিক বলেন, ‘স্কুলে পড়ুয়ার যে সংখ্যা সেই অনুপাতে শিক্ষক আসেনি তাই সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা চেষ্টা করছি ক্লাস চালু রাখার।”
প্রধান শিক্ষক প্রবীর কুমারের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, ”ধর্মঘট সমর্থন করে আমরা শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারীরা কেউ স্কুলে যায়নি। পরিচারন সভাপতি এবং আংশিক সময়ের শিক্ষকরা স্কুলে ক্লাস করিয়েছেন শুনেছি। মিড ডে মিলও চালু আছে। পড়ুয়াদের এতে কোনও অসুবিধা হয়নি।”