স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দু’বছর ধরে মেয়েকে নিয়ে ওই আইনজীবীর বাড়িতে ভাড়া রয়েছেন ওই মহিলা। দিনের পর দিন হেনস্তার শিকার হয়ে পুলিশে অভিযোগ জানানো চেষ্টা করলেও কোনও লাভ হয়নি। তবে আইনজীবী ওই মহিলাকে বলেন, যে পুলিশে অভিযোগ করে কোনও লাভ হবে না।
ওই ব্যক্তির সঙ্গে সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে তা রক্ষা করেননি ওই আইনজীবী। এমনকী অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষ নিয়ে ওই মহিলাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এরপর থানায় অভিযোগ জানতে গেলে সেখানে ওই আইনজীবীর সঙ্গে দেখা হয়। দুই মহিলাকে বাধা দিলে ওই আইনজীবীকে জুতো দিয়ে বেধড়ক মারেন ওই মহিলা ও তাঁর মা।
মহিলা বলেন, “আমার স্বামী প্রায় ছয় বছর ধরে নিরুদ্দেশ, সেটা ওই আইনজীবী জানেন। বাড়ি হচ্ছে বলে আমি ওখানে ভাড়া এসেছিলাম। ওনার বাড়ির নীচে একজন বয়স্ক লোক ভাড়া থাকেন। ওই ব্যক্তি আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছে, মদ খেয়ে এসে আমার হাত ধরে টানে। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি। বাড়িওয়ালাকে জানালেও কোনও প্রতিকার করেননি। এমনকী থানাতেও উনি কেস নিতে না করেন।”
অভিযুক্ত আইনজীবী মলয় মজুমদার এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি দুই ভাড়াটের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলাম। মহিলার মানসিক সমস্যা রয়েছে বলেই এই কথা বলছেন।” চুঁচুড়া থানায় ওই মহিলা অভিযোগ দায়ের করেছেন, পুলিশ জানিয়েছে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।