বেশ কিছুক্ষণ ধরে ষাঁড়টি ড্রেন থেকে ওঠার চেষ্টা করলেও বিফল হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা খবর দেন দমকল বিভাগে। ঘটনার খবর পেয়ে দমকল বিভাগের কর্মীরা এসে দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় ড্রেন থেকে তুলে আনেন ওই ষাঁড়টিকে। কুশপাতা কলেজ মোড়ে এই ষাঁড়টিকে উদ্ধার করার জন্য বহু মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারা ষাঁড়টিকে ড্রেন থেকে তুলতে চেষ্টা করেন। কিন্তু বিশালাকার ওই ষাঁড়টিকে টেনে তোলার ক্ষমতা স্থানীয় মানুষদের ছিল না। শেষ পর্যন্ত ষাঁড়টিকে উদ্ধার করে রাস্তাতেই ছেড়ে দেয় দমকল বাহিনী।
এই বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ষাঁড়টি এখানকার একটি বড় খোলা ড্রেনে পড়ে যায়। ভোরবেলা স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে পড়ে এই ঘটনা। তখন থেকেই চেষ্টা করা হচ্ছিল ষাঁড়টিকে টেনে তোলার। বড় মোটা দড়ি এনেও চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সব চেষ্টাই বিফলে যায়। শেষ পর্যন্ত আমরাই দমকলে খবর দিই”।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কাটোয়া ষ্টেশনের কাছে দুই ষাঁড়ের ধুন্ধুমার লড়াই বেঁধে যায়। যার জেরে একটি ষাঁড়ের মৃত্যু হয়। রেলস্টেশন ঢোকার মুখেই ছিল সাদা-কালো রঙের একটি ষাঁড়। স্টেশন বাজার এলাকা থেকে একটি লাল রঙের ষাঁড় ওই ষাঁড়টির সামনে চলে আসে। তারপর সংঘর্ষ বাঁধে উভয়ের মধ্যে। লাল রঙের ষাঁড়টি আসার পর প্রথম দু’জন মিলে শিং দিয়ে বালির গাদায় আঘাত করতে থাকে।
তারপর দু’জনের মধ্যে লড়াই বেঁধে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েকজন ছাড়ানোর চেষ্টা করলেও ছাড়ানো যায়নি। লাল ষাঁড়টির গুঁতোয় সাদা ষাঁড়টি যখন পড়ে যায় তখন একটি লোহার খুঁটি তার মাথায় সজোরে লাগে। তাতেই মারা যায়। তারপর হাই ড্রেনের মধ্যে পড়ে যায় ওই লাল ষাঁড়টি। স্থানীয়রা দমকল বিভাগে খবর দেন। দমকল কর্মীরা ষাঁড়টিকে উদ্ধার করে।
