Subhas Sarkar: ‘স্মার্ট ক্লাস তৈরির উদ্যোগ নেই’, রাজ্যের সমালোচনায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী – dr subhas sarkar criticizes about west government from a meeting


West Bengal News : “কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রাজ্য সরকারগুলির কাছে ‘স্মার্ট ক্লাস’ তৈরির আবেদন জানানো হয়েছিল। দূর্ভাগ্যের বিষয় এই রাজ্য থেকে ওই ধরণের কোনও আবেদন জমা পড়েনি”, দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বাঁকুড়ার BJP সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar)। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁকুড়া (Bankura) শহরের জুনবেদিয়ায় নিজের সাংসদ কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন। ডাঃ সুভাষ সরকার আরও বলেন, “যোগী রাজ্য উত্তর প্রদেশে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ১৮ হাজার ৪৪৪ টি স্মার্ট ক্লাসের অনুমোদন মিলেছে।

Civic Volunteer: প্রাথমিক স্কুলে অঙ্ক-ইংরেজির ক্লাস নেবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা, বাঁকুড়া পুলিশের সিদ্ধান্ত নিয়ে জোর চর্চা রাজ্যে
এর পাশাপাশি অবিজেপি শাসিত রাজ্য যেমন কেরালা, ওডিশা, পাঞ্জাবও এই স্মার্ট ক্লাস তৈরীতে এগিয়ে এসেছে। ব্যতিক্রম শুধু এই রাজ্য”। শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতির পাশাপাশি এর ফলে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ এই রাজ্য সরকার নষ্ট করছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, “সারা পৃথিবী জুড়ে যেখানে ডিজিটাল (Digital) ব্যবস্থার রমরমা হচ্ছে, সেখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই বিষয়ে পুরোই উদাসীন। কোনও আবেদন জমা পড়েনি। এর ফলে রাজ্যের শিক্ষার মান আরও নিম্নগামী হবে। পিছিয়ে পড়বে বাংলার পড়ুয়া সমাজ”।

Civic Volunteer Teacher: সিভিক শিক্ষক! ‘বাঁকুড়া মডেল’ নিয়ে ছিছিক্কার বিরোধী থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের
একথা বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার বলেন, “কলকাতা থেকে বারানসী এক্সপ্রেসওয়ের অনুমোদন কেন্দ্রীয় সরকার দিয়েছে, কেন্দ্রীয় খরচে তৈরী হবে তৃতীয় হুগলি সেতু”। অন্যান্য রাজ্য গুলিতে ওই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে গেলেও এই রাজ্যে এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ রাজ্য সরকার শুরুই করতে পারেনি বলে তিনি দাবি করেন।

Civic Volunteer Teacher: সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রাথমিক স্কুলে পড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত, রিপোর্ট তলব শিক্ষামন্ত্রীর
এই মুহূর্তে সংবাদ শিরোনামে থাকা বাঁকুড়া জেলা পুলিশের ‘অঙ্কুর’ প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিষয়টিতে আমি প্রথম থেকেই আপত্তি জানিয়েছিলাম। স্কুলগুলিতে এভাবে শিক্ষক ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা হয়েছিল। পরে রাজ্য সরকার সিভিক ভলেন্টিয়ারদের দিয়ে পঠন পাঠনের সিদ্ধান্ত বদল করেছে মানেই ওনারা ‘সিদ্ধান্তহীনতা’য় ভূগছেন বলে। কিন্তু এভাবে কতদিন চলবে!

Recruitment Scam: শিক্ষক দুর্নীতির মাঝে বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি নিয়োগেও অনিয়মের অভিযোগ
নতুনভাবে স্বচ্ছ নিয়োগ না করলে সরকারী সব স্কুলের শিক্ষা একদিন ভেঙে পড়তে বাধ্য হবে”। এরপরেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে তোপ দেগে বলেন, “এই দলটি বা সরকারের কোনও সদিচ্ছাই নেই যে রাজ্যের, রাজ্যের মানুষ, পড়ুয়াদের মানোন্নয়ন করব। শুধু ভাতা, ভিক্ষা আর খেলা, ব্যস হয়ে গেল। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের যে ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, সেই বিষয়ে এরা জেনেও না জানার ভান করছে”।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *