GRP সূত্রে জানা গিয়েছে, একই দিনে দু’দফায় হাওড়া স্টেশন (Howrah Station) থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা। গতকাল হাওড়া স্টেশনে RPF-এর ক্রাইম ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ এবং ক্রাইম প্রিভেনশন ও ডিটেকশন স্কোয়াডের আধিকারিকরা তল্লাশি চালায়। প্রথমে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্সে নয় নম্বর প্ল্যাটফর্মে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
বিধান চন্দ্র কুমার (৪৫) নামে ওই ব্যক্তি পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের বাসিন্দা। ওই ব্যক্তির কাছে থাকা ব্যাগ থেকে পাওয়া যায় নগদ কুড়ি লাখ টাকা। এরপর আরও এক ব্যক্তিকে আটক করে। তার কাছ থেকে পাওয়া যায় ১২ লাখ আশি হাজার টাকা।
দু’জনেই এই টাকার কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। আটক দুই ব্যক্তি ও টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে কলকাতা কাস্টমস শুল্ক দফতরের হাতে। উল্লেখ্য, শিয়ালদা, হাওড়া সহ ব্যস্ততম রেল স্টেশন গুলিতে বেআইনি মাল পাচার রুখতে সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে GRP।
সন্দেহভাজন কিছু চোখে পড়লেই করা হচ্ছে তল্লাশি। এমনকি GRP জওয়ানরা সর্বক্ষণের জন্য নজরদারি চালিয়ে যান। বিগত কয়েক মাসে একাধিকবার হাওড়া স্টেশন থেকে বেহিসাবি অর্থ সহ একাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই সন্দেহজনক এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩৩ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করে RPF জওয়ানরা। ধৃত ব্যক্তির নাম প্রহ্লাদ রাম জাখর (৩৩)। ধৃত ব্যক্তির কাছে এত পরিমাণ নগদ অর্থের সঠিক নথি পত্র না থাকায় তাকে আটক করা হয়। আটক যুবকের প্রহ্লাদ রাম জাখরের বাড়ি রাজস্থানের বিকানিরে।
সেই ব্যক্তির কাছে থাকা একটি নীল রঙের ব্যাগ থেকে ওই পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে শুল্ক দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়।মূলত ভিন রাজ্য থেকে পাচারের উদ্দেশে হাওড়া স্টেশনকে ব্যবহার করে পাচারকারীরা।
হাওড়া থেকে রেলপথে বিভিন্ন রাজ্যে পাচারের মাল পৌঁছে দেওয়ার ছক কষা হয়। সেই কারণে প্রতি নিয়ত স্টেশন গুলিতে কড়া নজরদারি চালায় RPF জওয়ানরা।