অমিত শাহের ডেপুটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিশীথ মহাপাত্রকে নিশানা করে তিনি বলেন, ”ইডি আমাকে ডাকুক। সি বি আই আমাকে ডাকুক। আমি বলব তাঁর চাইতে চাকরি চোর এই জেলায় কেউ নেই। এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মতো চাকরি চোর আর কেউ নেই।”
এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রের মোদী সরকারের সমালোচনা এদিন উদয়ন গুহ বলেন, ”যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু, এজেন্সি লাগিয়ে দিয়ে হেনস্থা করা ঠিক নয়। আর এজেন্সিকে লাগিয়ে দিয়ে যদি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, আমি বলব তাহলে এই জেলার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে সবার আগে জিজ্ঞাসা করা উচিত। কারণ তার মতো চাকরি চোর, জমি চোর এই জেলাতে নেই।”
নিশীথ প্রামাণিককে সরাসরি নিশানা করে তিনি আরও বলেন, ”এক তৃণমূলের নেতা এখন বিজেপি হয়েছে, দিনহাটায় বাড়ি। তার চাইতে চাকরি চোর আর এই জেলায় কেউ নেই। আমি অন্ততপক্ষে ৫০ টা নাম বলে দিতে পারব যে ইডি আমাকে ডাকুক। ৫০ টা নাম বলে দিতে পারব, এদের কাছ থেকে এরা টাকা নিয়েছে। তাদের বেলায় এদের ডাকা হবে না।”
এই প্রসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্যের নাম টেনে এনে উদয়ন গুহ বলেন, আরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় চোর, ঠিক আছে। মানিক ভট্টাচার্য চোর কি চোর না সেটা প্রমাণিত হবে। কিন্তু, যে ডাকাত, নিজে বলছে আমি সোনার দোকানে ডাকাতি করেছি তাকে বিজেপি ডেকে নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করে দিল এর চাইতে লজ্জার কিছু নেই।”
উদয়নের এই বক্তব্য প্রসঙ্গে পালটা আক্রমণ গেরুয়া শিবিরের। বিজেপির কোচবিহার জেলা সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, ”তৃণমূলের সব নেতা মন্ত্রীরাই চাকরি দেওয়ার নামে, ঘর দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছে। সময় হলে তাদেরও ডাকা হবে।”
