IIT JAM : বাংলার মুখ উজ্জ্বল চার পড়ুয়ার! সর্বভারতীয় পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফলাফল পুরুলিয়ার ৪ তরুণ-তরুণীর – four purulia students cleared iit jam from purulia district


সর্বভারতীয় পরীক্ষা IIT JAM-এ পুরুলিয়া জেলার জয়জয়কার । পুরুলিয়া জেলার কাশিপুর থানার ভালাগোড়া গ্রামের বাসিন্দা রঘুনাথপুর কলেজের ছাত্রী ইতি মাহাত এই পরীক্ষায় ১৪ তম স্থান দখল করেছেন। ইতির বাবা ভীম সেন মাহাতো স্কুল শিক্ষক, মা গৃহবধূ। অন্য দিকে আড়ষা থানা এলাকার দুই যুবকও এই পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করেছে। আড়ষা থানার পাথরাবেড়া গ্রামের যুবক সোমনাথ মাহাতো সর্বভারতীয় এই পরীক্ষায় ১২৮ তম স্থানে রয়েছে। সোমনাথে বাবা স্বপন মাহাতো পেশায় চাষি ও তাঁর মা শান্তি মাহাতো পেশায় গৃহবধূ বলেই জানা গিয়েছে।Mamata Banerjee News : ‘…সংগঠন আগের থেকে ভালো’, পঞ্চায়েতের আগে দলনেত্রীর প্রশংসায় আত্মবিশ্বাসী জেলা সভাপতি
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমনাথ বর্তমানে পুরুলিয়া শহরের জে কে কলেজে কেমিস্ট্রি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে। তাঁর স্বপ্ন ভবিষ্যেতে শিক্ষকতা করার। অন্য দিকে ওই থানা এলাকার চিতিডি গ্রামের বাসিন্দা অজয় মাহাত সেও সর্ব ভারতীয় স্তরে এই পরীক্ষায় ১৯৬ তম স্থান দখল করেছে।

অজয়ের বাবা রমানাথ মাহাতো চাষের কাজ করেন। মা হিমিকা মাহাতো পেশায় অঙ্গনওয়াড়ি শিক্ষিকা। দু ভাইয়ের মধ্যে অজয় ছোট সে বর্তমানে পুরুলিয়া শহরের জে কে কলেজে ফিজিক্স নিয়ে পড়াশোনা করছেন। তাঁর দাদা অসীম মাহাতো সিধু কানহু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এমএ করছে। ভবিষ্যতে ফিজিক্স নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর।

West Bengal Trending News: প্রেমের টানে ‘কাকিমা’ বলে ডাকা রাজমিস্ত্রির সঙ্গে ঘর ছাড়লেন গৃহবধূ
সর্বভারতীয় পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল করা এই দুই পড়ুয়া জানিয়েছেন শিক্ষকদের পাশাপাশি বাবা-মায়ের অবদান তাঁদের ওই সাফল্য পেতে সাহায্য করেছেন। ভালো ফল করেছে বলরামপুরের যুবক প্রণব কুমার। মেধা তালিকায় ২৬৭ তম স্থানে রয়েছেন তিনি। প্রণব পুরুলিয়ার জে কে কলেজের ছাত্র। তাঁর বাবা কয়েক বছর আগে মারা গিয়েছেন। তাঁর মা দীপা কুমার গৃহবধূ। প্রণবরা এক ভাই দু বোন। তার দিদি পৌলমী কুমার এমএ পাশ করার পর বি এড করছেন।

OMR Sheet : ‘আমার ভাই ১২ পেলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব’, নিয়োগ দুর্নীতিতে সরব খোদ মন্ত্রী
সাধারণত রাজ্যের পিছিয়ে পড়া জেলাগুলির মধ্যে পুরুলিয়ার নাম আসে। পশ্চিমাঞ্চলের এই জেলাতে অনেকে প্রত্যন্ত এলাকা রয়েছে। সেই এলাকার চার তরুণ-তরুণীর এমন ফল নিঃসন্দেহে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করল বলে মনে করেছে শিক্ষামহল। স্থানীয় বাসিন্দা অনুপ রায় পুরুলিয়ার এই তরুণ তরুণীদের ফলাফল প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের জেলার চারজন এত অল্পবয়সী তরুণ তরুণী সর্বভারতীয় পরীক্ষায় এমন ফলাফল করবে ভাবাই যায় না। তাঁরা আমাদের জেলার মুখ উজ্জ্বল করল। এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেছে বলে মনে করতে পারছি না। এটা আমাদের জেলার জন্য খুব ভালো খবর।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *