Purulia School : শিক্ষকদের দেখা নেই, খেলাধূলা করেই সময় কাটায় পুরুলিয়ার এই স্কুলের পড়ুয়ারা – purulia junior high school teachers are absent for long days


High School : স্কুল থাকলেও শিক্ষক নেই। শিক্ষক নেই বলে ছাত্ররাও বাড়িতে ছুটির মেজাজে। তাও এক-দু দিন নয়। প্রায় পাঁচ-ছয় মাস হয়ে গিয়েছে স্কুলে আসেন না কোনও শিক্ষক। তাই খোলাই হয় না পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের তেলেডি জুনিয়র হাইস্কুল। অভিভাবকরা বাচ্চাদের স্কুল স্থানান্তরিত করার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে সেটাও হচ্ছে না।

Bankura Primary School : স্কুলে মেঝে হয়নি, নেই শৌচালয়ও, বাঁকুড়ার প্রাথমিক স্কুলের চূড়ান্ত অব্যবস্থায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা
পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের তেলেডি জুনিয়র হাইস্কুল দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে। বিদ্যালয়ের যিনি স্থায়ী শিক্ষক, তিনি বিদ্যালয়ে আসছেন না দীর্ঘদিন। ফলত বন্ধ রয়েছে স্কুল। স্কুলের পড়ুয়ারা তাই বিদ্যালয়ের সময় কাটিয়ে দিচ্ছেন বাড়িতে বসেই। তবে বিদ্যালয়ের ওই ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক চন্দন দাস কেন বিদ্যালয় আসছেন না তা জানা নেই প্রশাসনের। ওই বিদ্যালয়ে একজন অতিথি শিক্ষক আছেন তিনি কয়েকটা দিন এসেছিলেন তারপরে তিনিও আসছেন না।

Purba Medinipur : ‘আপনি যাবেন না স্যার’, প্রিয় শিক্ষকের বদলি রুখতে পথ আটকে কাতর আবেদন পড়ুয়াদের
ফল স্বরূপ বিদ্যালয়ে কার্যত তালা ঝুলছে। বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির বজরং বলী গোপ, ষষ্ঠ শ্রেণির শচীন গোপ বলে, “আজ পাঁচ ছ’মাস ধরে বিদ্যালয়ে আসেন না শিক্ষক। তাই বাধ্য হয়ে আমরা বাড়িতে বসে আছি। আমরা টিসি নিতে চাই অন্য স্কুলে ভর্তি হব।” বিদ্যালয়ে প্রায় ৯০ জন পড়ুয়া রয়েছে বলে জানান স্থানীয় অভিভাবকরা। অভিভাবকরা চাইছেন যত দ্রুত সম্ভব নিজের বাচ্চাকে টিসি নিয়ে অন্য স্কুলে ভর্তি করাতে। কিন্তু সেটিরও সুযোগ নেই। এতে আদতে পড়ুয়াদের পড়াশোনার সমূহ ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান তাঁরা।

Howrah News : শৌচাগারে থই থই করছে নোংরা জল, বাধ্য হয়ে হাওড়ার স্কুলে আসা বন্ধ পড়ুয়াদের
একজন অভিভাবক বলেন, “ছেলেকে প্রথম কয়েকদিন তাও জোর করে পড়াতে বসিয়েছিলাম। এখন স্কুলের সময়টা খেলাধূলা করে বেড়ায়। অনেক কিছু পড়াশোনা ভুলে যাচ্ছে। লকডাউন থাকাকালীন এরকম অবস্থা হয়েছিল। এরকম চললে ওদের তো ভবিষ্যতে অনেক সমস্যা হবে।”
এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে পুরুলিয়া জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) গৌতম চন্দ্র মাল বলেন, ” বিষয়টি জানার পর ওই শিক্ষককে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি আসেন নি। তারপর ওই শিক্ষককে দু’বার শো কজ করা হয়। কিন্তু কোনও উত্তর দেননি।”

Nawsad Siddiqui : নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা, নিজের স্কুলে পরিকাঠামো দেখে ‘অবাক’ নওশাদ
এমত অবস্থায় বিদ্যালয় পরিদর্শক-এর কাছে রিপোর্ট নিয়ে বোর্ডকে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি। বাড়িতে বসেই বেতন পেয়ে যাচ্ছেন ওই শিক্ষক। সে কারণে কারণে আগামী দিনে বেতন বন্ধ করে দেওয়ার কোথাও চিন্তাভাবনা করছে জেলা শিক্ষা বিভাগ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *