তবে বেশ কিছু শর্ত সাপেক্ষে এদিন BJP-র সভার অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা নির্দেশ দেন, স্কুলের মাঠে শান্তিপূর্ণভাবে এই সভা করতে হবে। দুই, যতটা সম্ভব পুলিশি মোতায়েন করবে রাজ্য। এছাড়া কোনও উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়া যাবে না।
পাশাপাশি, সভা শেষ হওয়ার পরে সভাস্থল পরিষ্কার করতে হবে। অন্যদিকে, স্কুল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে রাখার ব্যাপারে জানান বিচারপতি। এমনকি আগে প্রধান শিক্ষক অনুমতি দিলে, কেন দিয়েছিলেন, স্কুল কমিটি কেন তখন বিষয়টি দেখেননি, সে ব্যাপারেও জানতে চাওয়া হয়
সভার কয়েক ঘণ্টা আগেই সভার অনুমতি বাতিল করে দেয় পুলিশ। পুলিশের তরফে যুক্তি দেখানো হয়, সভাস্থলের নিয়ন্ত্রক অর্থাৎ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি সভার অনুমতি প্রত্যাহার করেছে। সেই কারণেই পুলিশের তরফে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে সভার অনুমতি।
এরপর শুভেন্দু অধিকারীও টুইট করে জানান, অনুমতি বাতিলের ফলে সভায় তিনি যোগ দিতে না পারলেও তিনি চন্দ্রকোণায় আসবেন। মিলিত হবেন কৃষকদের সাথে। তবে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই শর্তসাপেক্ষে অনুমতি মেলে হাইকোর্টের তরফে।
এই খবর চন্দ্রকোণায় পৌঁছতেই শুরু হয়েছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বিকেল তিনটেই সভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনুমতির টালবাহানার জেরে সভা শুরু হতে কিছুটা দেরি হবে বলেই জানাচ্ছেন BJP নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, সভার কয়েক ঘণ্টা আগেই চন্দ্রকোণা টাউন থানার একটি চিঠি প্রকাশ এসেছে।
যা ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। চিঠিতে লেখা রয়েছে, স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্কুলের মাঠে সভার অনুমতি দিলেও স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি সেই অনুমতি বাতিল করেছে।
BJP সভা বাতিলের বিষয়টি রাজনৈতিক অভিসন্ধি থেকেই করা হয়েছে বলে স্থানীয় BJP নেতৃত্ব।
তবে অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। অনুমতি নিয়ে যে টালবাহানা তৈরি হয়েছে তার সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই, গোটা বিষয়টি আইনের বিষয়ে বলে দাবি জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর তথা বিধায়ক অজিত মাইতির।
