Kolkata Metro : দক্ষিণেশ্বরে আরও ট্রেন চান মেট্রোর যাত্রীরা – metro passengers want more trains to dakshineshwar


এই সময়: পার্কিংয়ে থাকা মোটরবাইকের দীর্ঘ সারিই ছবিটা বুঝিয়ে দেয়। বরাহনগর মেট্রো স্টেশনের বাইরের এই জায়গাটা এক বছর আগেও একেবারে ফাঁকা পড়ে থাকত। তারপর চালু হয় কলকাতা মেট্রেোর সম্প্রসারিত অংশ। নোয়াপাড়া থেকে আরও একটু এগিয়ে বরাহনগর আর দক্ষিণেশ্বর। কলকাতা মেট্রোর নর্থ-সাউথ লাইন এই পর্যন্ত এগিয়ে আসার ফলে শুধু মহানগরের উত্তর শহরতলি অংশই নয়, একই সঙ্গে হাওড়া এবং হুগলির অনেকটা অংশের যাত্রীরও মেট্রো-নির্ভরতা বেড়েছিল অনেকটাই।

Kolkata Metro : উইকএন্ডে মেট্রো বিভ্রাট, দমদম থেকে সেন্ট্রাল পর্যন্ত ১ ঘণ্টা বন্ধ পরিষেবা
এক বছর পর শহর-সংলগ্ন জেলাগুলোর মেট্রো-নির্ভরতা আরও কিছুটা বেড়েছে। কলকাতা মেট্রোর হিসাব বলছে, ২০২২-এর মার্চ-এপ্রিল নাগাদ কাজের দিনগুলোয় বরাহনগর ও দক্ষিণেশ্বর স্টেশনের গড় যাত্রীসংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৯ হাজার এবং ১৪ হাজার। এক বছর পর ২০২৩-এর মার্চ-এপ্রিলে এসে বরানগর ও দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশন দু’টিতে গড় দৈনিক যাত্রীসংখ্যা যথাক্রমে ১২ হাজার এবং ১৮ হাজার। এক বছরের ব্যবধানে দুই স্টেশনের দৈনিক যাত্রীসংখ্যা বেড়েছে প্রায় সাত হাজার।

Garia To Ruby Metro : রুবি থেকে এক টিকিটেই টালিগঞ্জ-দক্ষিণেশ্বর, কবে শুরু মেট্রো? ভাড়াই বা কত?
দু’টি স্টেশনের এই সাফল্যে কলকাতা মেট্রোরেলের কর্তারা যথেষ্টই খুশি। সংস্থার মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলছেন, ‘হাওড়া এবং হুগলির বহু যাত্রী বালিতে এসে গঙ্গা পার হয়ে দক্ষিণেশ্বর আসেন। সেখান থেকে ওঁরা মেট্রোয় শহরের বিভিন্ন দিকে যান। জেলার বাসিন্দারাও যে ভাবে মেট্রোর উপর নির্ভর করছেন এটা আমাদের কাছে খুবই তৃপ্তির বিষয়।’ কলকাতা মেট্রোর আধিকারিকরা খুশি হলেও এই দুই স্টেশন দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা কিন্তু আরও বেশি সংখ্যাক ট্রেন চাইছেন প্রতিদিন।

Indian Railways Train Booking : রেকর্ড আর্থিক সাফল্য পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব ও মেট্রোরেলের
কলকাতা মেট্রোর হিসাব অনুযায়ী নর্থ-সাউথ লাইনে প্রতিদিন আপ ও ডাউন মিলিয়ে ২৮৮টি ট্রেন চলে। এর মধ্যে ১৭২টি ট্রেন কবি সুভাষ ও দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে যাতায়াত করে। দক্ষিণেশ্বর ও বরাহনগর স্টেশন দু’টির নিত্যযাত্রীরা চাইছেন ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়ুক। ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে দুই ট্রেনের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কমবে। ফলে যাত্রীরা আরও ঘনঘন ট্রেন পাবেন। কৌশিক বলছেন, ‘যদি আমরা দেখি যাত্রীসংখ্যা সামাল দেওয়ার জন্য ট্রেনসংখ্যা বাড়াতে হবে – তাহলে সেটা করা হবে। আপাতত ট্রেন চলার যে কাঠামো মেনে চলা হচ্ছে, সেটাই চলবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *