লকেট বলেন, “ধরনা মঞ্চ থেকে অশান্তির কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোটব্যাঙ্ক ফিরিয়ে আনার জন্য পরিকল্পনা করে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সাগরদিঘি নির্বাচনের পর পরিষ্কার যে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হয়ে গিয়েছে। সেই কারণে সেই ভোটব্যাঙ্ক এক জায়গায় করতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। হনুমান জয়ন্তীতে অশান্তি হতে পারে, সেই কথাও আগাম বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।”
কী কারণে বিজেপির এই ডেপুটেশন, কেনই বা তিনি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন? সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে তোষণের রাজনীতি হচ্ছে এবং একের পর এক ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের তরফে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। সেই কথাই তিনিই পুলিশ কমিশানারকে জানাতে চান বলে জানিয়েছেন।
পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা না হলেও ডেপুটি কমিশনার নিধি রানীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন লকেট। বাইরে বেরিয়ে লকেট বলেন, “বারবার কেন বাংলার এমন ঘটনা ঘটছে। রিষড়ার ঘটনায় কোনও যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়নি। তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে বাংলায়। যাঁদের উপর হামলা হয়েছে পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করছে। ট্রেনে পাথর মারার জন্য রাজ্য সরকার এখনও কোনও পদক্ষেপ করেনি। এমন ঘটনা চলতে থাকলে বাংল কাশ্মীর হয়ে যাবে।” এর পাশাপাশি রিষড়ার ঘটনার নিরপেশ
চন্দননগর পুলিশ কমিশনারের অফিসের বাইরে ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে জমায়েত করেন বিজেপি কর্মী সমর্থক। সেখানে চলতে থাকে বিক্ষোভ। অন্যদিকে রিষড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরও আজ সেখানে যাওয়ার কথা রয়েছে। বিরোধী দলনেতাকে রিষড়াতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় কিনা সেটাই এখন দেখার। উল্লেখ্য, মঙ্গববার রিষড়া ৪ নম্বর রেলগেট এলাকা ঘুরে দেখেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেখানে গিয়ে প্রশাসনকে অশান্তি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা দেন তিনি।
