উল্লেখ্য, আদালতে ED জানিয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং হুগলির ধৃত প্রোমোটার অয়ন শীলের মধ্যে যোগসূত্র ছিলেন কুন্তল ঘোষ। এদিকে গোপাল দলপতির দাবিতেও উঠে এসেছে কলকাতা পুরসভার এক কাউন্সিলরের প্রসঙ্গও। তবে কি এক্ষেত্রে একজনের কথাই বলা হচ্ছে? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জ এবং বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করে ED। এরপরেই বারুইপুরের একটি বাগানবাড়ি নিয়ে ক্রমশ রহস্য ঘনায়। ওই বাড়িটির সঙ্গে নাম জুড়তে থাকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। অন্যদিকে বাগানবাড়িটি প্রসঙ্গে উঠে আসে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, সেখান থেকে জিনিসপত্র লোপাট হচ্ছে।
ED সূত্রে খবর, কে বা কারা এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই ঘটনার তদন্তে নেমে দক্ষিণ কলকাতার এক কাউন্সিলরের নাম পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
প্রয়োজনে তাঁকে তলব করা জিজ্ঞাসাবাদ করাও হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক মানুষকে জেরা করা হয়। জানা গিয়েছে, সেই সময় দক্ষিণ কলকাতার ওই কাউন্সিলর প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। ওই কাউন্সিলরের সম্পত্তির দিকেও নজর রয়েছে তদন্তকারীদের। গত কয়েক বছরে তিনি রীতিমতো ফুলে ফেঁপে ওঠেন।
বারুইপুরের ওই বাংলো থেকে কি নথি এবং গুরুত্বপূর্ণ কোনও ফাইল সরানো হয়েছিল? এই ঘটনায় ঠিক কী ভূমিকা ছিল ওই কাউন্সিলরের? এবার এই যাবতীয় তথ্য খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত বছর গ্রেফতার করা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ED-র হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। একাধিকবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেছেন, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সঙ্গে কোনওভাবে তিনি জড়িত নন।
এদিকে মডেল তথা অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্প্রতি একটি ভার্চুয়াল শুনানিতে রীতিমতো ‘খুনসুটি’ করতে দেখা গিয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। একে অপরকে দেখে হাসি বিনিময় করতে দেখা যায় তাঁদের।
এই ঘটনা রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। আদালতে তোলার আগে একাধিক প্রশ্নের জবাব দিলেও তিনি অর্পিতা মুখোপাধ্যায় প্রসঙ্গে কোনও প্রশ্নের কোনও জবাব দেননি।
