সাগরদিঘি নির্বাচন বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থীরা কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে তৃণমূল। বিভিন্ন ধাপে ফলের কাঁটার ছেঁড়া করা হয়েছে। সাগরদিঘির ফল নিয়ে মুর্শিদাবাদের দলীয় নেতৃত্বের উপর ব্যাপক ক্ষুব্ধ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় বৈঠকে নেতাদের সতর্কও করেন মমতা। তারপরই কংগ্রেসের এই মারাত্মক অভিযোগ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গেঅধীর চৌধুরীবলেন, “মুর্শিদাবাদের মানুষ বিধবাভাতা, বার্ধক্যভাতা থেকে বঞ্চিত। মুর্শিদাবাদের মানুষকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হচ্ছে না। সাগরদিঘির মানুষ কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছে বলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হবে না। প্রতিহিংসার রাজনীতি করছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। দারিদ্রতা বাড়ছে, এদিকে রমজানের মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নেই। এই দাবি আমরা আদায় করে ছাড়ব, সেই কারণে লড়াইয়ে নামলাম। এই টাকা কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়।”
অধীর আরও বলেন, “মানুষের টাকা আপনাকে দিতে হবে, নইলে কংগ্রেস আপনাকে ছেড়ে কথা বলবে না। সাগরদিঘির মানুষ যেদিন থেকে কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছে, সেদিন থেকেই প্রতিহিংসা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবারই তাদের নেতা বাঁকুড়া গিয়ে বলেছেন তৃণমূলকে ভোট না দিয়ে মানুষ পাপ করেছেন। আমরা ঘাস খাইনা। এখানকার মানুষের সঙ্গে থাকব এবং অধিকার আদায় করে ছাড়ব।”
উল্লেখ্য, সাগরদিঘিতে মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাসের কাছে ২৩ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হন তৃণমূলের দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত সাগরদিঘিতে তৃণমূলের পরাজয় স্বাভাবিকভাবেই বিরেধীদের বাড়িতে অক্সিজেন জুগিয়েছে। বিরোধীদের দাবি, যে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক তৃণমূলের দিকে ছিল তা ধীরে ধীরে তাদের থেকে মুখ ফেরাতে শুরু করেছে। কারণ সংখ্যালঘুরা বুঝে গিয়েছে যে তৃণমূল তাদের জন্য কিছু করেনি।
