Kolkata Municipal Corporation : পুরসভার কাজে স্বচ্ছতা আনতে ডিজিটাল লাইব্রেরি – digital library is being launched to bring transparency in work of kolkata municipality


তাপস প্রামাণিক
নাগরিকদের জন্য মুশকিল আসান। কলকাতা পুরসভার কাজে স্বচ্ছতা আনতে চালু হচ্ছে ‘ডিজিটাল লাইব্রেরি’। তার মাধ্যমে ঘরে বসেই পুরসভার কাজকর্ম সম্পর্কে জানতে পারবেন মানুষ। অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল বা কম্পিউটারে ক্লিক করলেই সমস্ত তথ্য মিলবে হাতের মুঠোয়।

কোন ওয়ার্ডে কী কাজ চলছে, তার জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, কোন কাজের টেন্ডার বেরিয়েছে, কোনটার ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে, সবটাই জানা যাবে। পুরকর্তারা মনে করছেন, এর ফলে পুরসভার কাজে স্বচ্ছতা আসবে। নাগরিকরা সচেতন হলে কাজের মানও বাড়বে।

Bashirhat Municipality : এক ফোনেই জানান অভিযোগ! বসিরহাট পুরসভার নয়া হেল্পলাইন নম্বর জানেন তো?
পুরসভা সূত্রের খবর, উন্নয়নের কাজে আরও বেশি করে সাধারণ মানুষকে যুক্ত করতেই ‘প্রোকিওরমেন্ট ডিজিটাল লাইব্রেরি’ চালু হবে। কলকাতা পুরসভার ওয়েবসাইট থেকেই ডিজিটাল লাইব্রেরির সুবিধা নিতে পারবেন নাগরিকরা। কলকাতা পুরসভার এক শীর্ষ কর্তার ব্যাখ্যা, শহরের রাস্তা, নিকাশি, জল সরবরাহ, জঞ্জাল সাফাই, উদ্যান, লাইটিং-সহ বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবা চালু রাখার জন্য সারা বছর অসংখ্য টেন্ডার ডাকা হয়।

স্টোনচিপ, পাইপ, ইট, বালি সিমেন্ট, লোহার রড-সহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র কিনতে হয় পুরসভাকে। তার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষরা সেটা টের পান না। ফলে ঠিকাদাররা টেন্ডারের শর্ত মেনে কাজ করছে কিনা, সেটা আম নাগরিকরা বুঝতেই পারে না।

Municipal Corporation : ছোট পুরসভাতেও এবার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল
সেই সুযোগে এক শ্রেণীর ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন। ডিজিটাল লাইব্রেরি চালু হলে সেই সুযোগ অনেকখানি কমে যাবে। তার কারণ, ডিজিটাল লাইব্রেরিতে ঢুকে যে কেউ পুরো টেন্ডার ডকুমেন্টটাই দেখতে পাবে। টেন্ডারে কী কী শর্ত দেওয়া রয়েছে, কোনও নির্মাণ কাজের জন্য কী ধরনের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহৃত হবে, আদৌ তার কোনও ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু হয়েছে কিনা, কোনও সংস্থা টেন্ডারের বরাত পেয়েছে, কতদিনের মধ্যে কাজটা সম্পূর্ণ হওয়ার কথা, তার সবটাই ডিজিটাল লাইব্রেরিতে দেওয়া থাকবে।

তার অন্যথা হলেই এলাকার মানুষ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে পুরসভার কাছে নালিশ জানাতে পারবেন। তাতে নাগরিকদের ক্ষোভ কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে। স্থানীয় মানুষ প্রতিবাদ জানালে ঠিকাদাররাও সাবধান হয়ে যাবে। তার ফলে পুর পরিষেবার মান আরও উন্নত হবে। সেই সঙ্গে সরকারি টাকার অপচয় বন্ধ হবে।

পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, “ওয়ার্ডে কোনও কাজ শুরু করতে গেলেই কিছু মানুষ পুরসভায় খোঁজখবর নিতে আসেন। কেউ আবার তথ্য জানার অধিকার আইনে মামলা করে বসেন। ডিজিটাল লাইব্রেরি চালু হওয়ার পর আরটিআই করার কোনও প্রয়োজনই পড়বে না। তাতে পুরসভার আধিকারিকদের উপর চাপ অনেকটাই কমবে। মানুষ যত জানবে পুরসভার প্রতি আস্থা বাড়বে।”

Ambulance Number Kolkata : তাপপ্রবাহে রাস্তায় বেরিয়ে হঠাৎ অসুস্থবোধ করছেন? অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা পুরসভার, জানুন ফোন নম্বর
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, জঞ্জাল সাফাই, নিকাশি, জল সরবরাহ, সড়ক, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিসিটি ও লাইটিং বিভাগের জন্য এই পরিষেবা চালু হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে পুরসভার অন্যান্য বিভাগের জন্য ডিজিটাল লাইব্রেরি চালু হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *