Firhad Hakim : ‘নেত্রী থাকেন টালির চালের ঘরে… আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত?’ – firhad hakim reply to amit shah at siuri meeting


এই সময়:দিনদুয়েক আগেই সিউড়িতে সভা করে দুর্নীতি-অস্ত্রে তৃণমূলকে বিদ্ধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার ৪৮ ঘণ্টা পরে রবিবার সিউড়িতেই ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে পাল্টা সভা করে জোড়াফুল শিবির। সেখানে শাহকে জবাব দেন তিনি। বলেন, “আমাদের নেত্রী টালির চালের ঘরে থাকেন। দেশের সব মুখ্যমন্ত্রীর থেকে তাঁর সম্পত্তি কম। আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত?”

Soham Chakraborty : ‘মন খারাপ… মিস করছি কেষ্টদা’কে’, বীরভূমের সভা থেকে আক্ষেপ সোহমের
নাম না-করে তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে নিশানা করেছিলেন শাহ। পাল্টা রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদের বক্তব্য, “আমরা চাই পরের প্রজন্ম এগিয়ে আসুক। মমতা নতুন প্রজন্ম তুলে আনছেন। কেন আপনাদের এত জ্বালা?”

শাহ অবশ্য তাঁর সভায় নানা দিক থেকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন ছিল, গোরু পাচারে অভিযুক্ত, জেলবন্দি একজন নেতা কেন তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদে আছেন? ফিরহাদ রবিবার বুঝিয়ে দিলেন, দল অনুব্রত মণ্ডলের পাশেই আছে।

Firhad Hakim : বামেদের সমর্থনের ‘খেসারত’ দিতে হবে: সিউড়িতে ববি
এ দিনের সভায় ফিরহাদ বলেন, “গোরু পাচার মামলায় আমাদের নেতাকে ধরে রাখা হয়েছে। কিন্তু গোরু আসে উত্তরপ্রদেশ থেকে। সেখানে ক্ষমতায় রয়েছে যোগী। সীমান্ত দিয়ে গোরু বাংলাদেশে যায়। সেখানে রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিএসএফ। তা হলে গোরু পাচারের টাকা কারা নেয়? উত্তর হলো, বিজেপি নেয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নেয়। আমরা নিই না।”

শাহও অতীতে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি থেকেছেন। তাঁর গ্রেপ্তারিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে চিহ্নিত করেছিল বিজেপি। সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ফিরহাদের প্রশ্ন, ‘আপনার বেলায় যদি গ্রেপ্তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়, তা হলে আমাদের বেলায় কেন নয়?’ অনুব্রত এখনও বীরভূমে তৃণমূল জেলা সভাপতি থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই জেলায় দলের সংগঠন দেখছেন।

Firhad Hakim Atiq Ahamed: ‘এখানে অভিযুক্তের বিচার হয়, উত্তরপ্রদেশে এনকাউন্টার হয়!’ আতিক খুনের পর ফিরহাদের তোপ
তবে জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে যে জোড়াফুলের অবস্থান আলাদা, এ দিন সে কথাও ফের বুঝিয়ে দিয়েছেন ফিরহাদ।তৃণমূল বিধায়ক সোহম এ দিন বলেন, “বীরভূমের মাটিতে পা রাখব আর কেষ্টদাকে (অনুব্রত) দেখব না! এটা অনেকটা সুন্দরবনে গিয়ে রয়্যাল বেঙ্গল না দেখার মতো। মনটা খারাপ, কেষ্টদাকে মিস করছি। যদিও আমরা জানি, উনি রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার। আপনাদের সকলের ভালোবাসা, দোয়া, আশীর্বাদে কেষ্টদা আবার আমাদের মধ্যে ফিরে আসবেন। বীরভূমের অভিভাবক হয়ে এই জেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *