Heatwave in West Bengal : তীব্র গরমে তালের রস খেতে উপচে পড়া ভিড়, বেজায় খুশি ব্যবসায়ীরা – palm juice became very popular in birbhum during summer weather


West Bengal News : তীব্র দাবদাহে সকলের অবস্থা কার্যত নাজেহাল। গরমে কার্যত নাভিশ্বাস উঠেছে সব মানুষের। আর এই তীব্র দাবদাহের সময়ে ভালোমন্দ খেতেও ইচ্ছে করছে না কিছু, এমনটাই বলছেন অনেকে। এই দাবদাহের মধ্যে তৃষ্ণার জ্বালা মেটাতে কেউ কেউ খাচ্ছেন আখের রস, ঠাণ্ডা পানীয়। তবে এইগুলির মাঝেও গ্রামে তালের রসের এখন রমরমা বাজার।

শীতে যেমন খেজুরের রসের বিক্রি বেড়ে যায়, পালটা গরমে তালের রসের বিক্রি এখন রমরমা বললেই চলে। বীরভূমের মাড়গ্রাম থানার অন্তর্গত ধল্লা, দিয়ারা গ্রামে এখন তালের রসের চাহিদা তুঙ্গে। বছরের একটা সময় পাওয়া যায় এই তালের রস এবং তীব্র দাবদাহ থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে এই তালের রস।

Serampore Special Kulfi : গরমে শরীর ঠাণ্ডা করতে শ্রীরামপুরে দাপাচ্ছে স্পেশাল কুলফি, মজে আট থেকে আশি
তাই গরম পড়তেই তালের রস খাওয়ার জন্য যুবক থেকে বয়স্কদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে গ্রামের তালতলায়। বিষ্ণুপুর, মাড়গ্রাম সহ দূর দূরান্ত এলাকা থেকে তালের রস খাওয়ার জন্য ছুটে আসছেন এই ধল্লা, দিয়ারা গ্রামের তালতলায়। যার ফলে কিছুটা হলেও ভালো আয়ের মুখ দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে এক ব্যবসায়ী নয়ন মাল জানালেন, “বিগত দশ বছর ধরে তালের রসের ব্যবসা করছি। আমার সঙ্গে আমার বাবা এই ব্যবসা করেন। আমার বাবার কাছ থেকেই এটা আমার শেখা। সারাদিনে মোটামুটি ৫০০ টাকা মতো রোজগার হয় এতে। কিন্তু এই তীব্র গরমে এখন ৭০০ টাকা পর্যন্ত উপার্জন হচ্ছে। যত গরম বাড়ছে,ততই চাহিদা বাড়ছে এই তালের রসের।”

Birbhum News : তীব্র দাবদাহে হাজার হাজার মুরগির মৃত্যু, চিন্তায় মাথায় হাত ফার্ম মালিকদের
এই বিষয়ে তিনি আরও জানালেন, “এই কাজে অনেক পরিশ্রম আছে। প্রথমে গাছ বেয়ে বেয়ে ওপরে উঠতে হয়। তারপর সঠিক জায়গা বাছাই করে সেখান থেকে রস বের করতে হয়। সরষের তেল লাগে এই কাজে।”

Summer Heat : এক বালতি জলের জন্য গোটা ১ দিনের অপেক্ষা! চাঁদিফাটা গরমে নাজেহাল বাসিন্দারা
গ্রাম সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব গাছে তাল ধরে না সে গাছগুলোতে হয় লম্বা লম্বা জট। সেগুলিকে বলা হয় ‘জটা তালগাছ’। এই ধরনের গাছ থেকেই মূলত রস সংগ্রহ করা হয়। তবে যেসব গাছে তাল ধরে সেসব গাছ থেকেও রস সংগ্রহ করা যায়। জটা গাছের জটের একদম নিচের দিকে একটু অংশ কাটা হয় যেন সেখান থেকে রস বের হতে পারে। এরপর হাঁড়ি বসিয়ে তালগাছ থেকে রস সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *