এই বিষয়ে তিনি বলেন, “ওই ঘটনার পরে আমরা একটা বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলাম। ওই তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চারজন ASI-কে আজ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরপরে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আমরা পরবর্তী ক্ষেত্রে জানাবো।”
অন্যদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী বিষক্রিয়ার জেরে ওই নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে বলে ফের জানালেন রায়গঞ্জের পুলিশ সুপার। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না দেওয়ার যে অভিযোগ মৃতার পরিবার ও জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের তরফ থেকে করা হয়েছে সেই পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপারের বক্তব্য, “পুলিশের কাছে লিখিত আবেদন করলে আইন অনুযায়ী যে নিয়মে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেওয়া হয় সেভাবে রিপোর্ট তুলে দেওয়া হবে।”
সেই সঙ্গে তিনি জানান, “তবে এই ঘটনার জেরে এলাকায় যে উত্তেজনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিলো তা এখন অনেকটাই শান্ত।” সবাইকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, “পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে রয়েছে, সবসময় আমাদের নজরদারি চলছে। আমি বারবার বলছি কাউকে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। ওই এলাকায় পুলিশ সবসময় রয়েছে।”
জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন বলেছেন যে পুলিশের তরফ থেকে তাঁদের ময়না তদন্তের রিপোর্ট দেওয়া হয়নি।এই বিষয়ে এদিন জেলা পুলিশ সুপারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “কিছু নিয়ম রয়েছে। সেই নিয়মের আওতায় থেকে পুলিশকে কাজ করতে হয়। যদি কমিশন আমাদের কাছে লিখিতভাবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট নেওয়ার জন্য আবেদন করেন তাহলে পুলিশ তাঁদের রিপরথাতে তুলে দেবে।”
তিনি আরও বলেন, “তদন্তকারী অফিসার থেকে শুরু করে সবার সঙ্গেই কমিশনের প্রতিনিধি দলের কথা হয়েছে। মিটিং করা হয়েছে।” এদিকে, প্রশাসনের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, আগামী ৭ দিন ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। গত দুদিনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
