কিছুটা হলেও রেহাই পেলেন সাধারণ মানুষ। এদিন সোমবার বেলা গড়াতেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি শুরু হয় উত্তরপাড়া, চন্দননগর, চুঁচুড়া, জিরাট, বলাগড় সহ জেলার একাধিক জায়গায়।
এদিকে, ঝড়ের কারণে চন্দননগর স্টেশনে কুড়ি মিনিট আটকে থাকল লোকাল ট্রেন। বেশ কিছুক্ষণ পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। চন্দননগরের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “এই বৃষ্টিটার খুব দরকার ছিল। শুধু বাইরে কেন, গরমের কারণে বাড়ির ভিতরেও থাকা যাচ্ছিল না। তার ওপর লোডশেডিং হলে তো জীবনটাই বেরিয়ে যাচ্ছিল। বাড়িতে AC নেই। তাই গরমে খুব কষ্ট হচ্ছে। আজ বেশ অনেকদিন পর ভালো করে ঘুমোতে পারব।”
অন্যদিকে, এদিনের ঝড়ে গাছের ডাল পড়ে আহত হয়েছে এক ITI ছাত্র। গত কয়েকদিনে ভ্যাপসা গরমের পর সোমবার দুপুরে হঠাৎ আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। শুরু হয় ঝড়।কোথাও কোথাও আবার অনেক বৃষ্টিও হয়।
ঝড়ের সময় গাছের ডাল মাথার উপর পড়ে আহত হন পান্ডুয়া গজিনা দাসপুর এলাকার পান্ডুয়া গভর্নমেন্ট ITI কলেজের ছাত্র তুহিন মালিক। তার মাথার পিছন দিকে আঘাত লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। গাছের ডাল পড়ে আহত হওয়ার পরেই তড়িঘড়ি তার সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে পান্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। এই বিষয়ে তুহিন জানান, “আজ দুপুরে সহপাঠীদের সঙ্গে বসে টিফিন খাচ্ছিলাম। সেই সময়ই হঠাৎ একটি গাছের ডাল আমার মাথায় পড়ে। প্রথমে কিছু বুঝতে না পারলেও পরে রক্তক্ষরণ হতে দেখি। সেই সঙ্গে ব্যাথা হতে শুরু করে। তারপরেই বন্ধুরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।”
তুহিনের এক সহপাঠী এই বিষয়ে বলেন, “বহুদিন বাদে এরকম ঝড় উঠেছিল আজ। বৃষ্টিও হচ্ছিল। গত একমাস ধরে প্রচুর গরম সহ্য করেছি, তাই ভেবেছিলাম আজ বৃষ্টিতে একটু ভিজব কিন্তু টিফিন খাওয়ার সময়েই এরকম ভয়ানক কাণ্ড ঘটে যাবে ভাবতে পারিনি। কপাল ভালো যে বড় ধরনের কোনও চোট লাগেনি।”
