দণ্ডি কাটার ঘটনা কোনও সভ্য সমাজে সমর্থন করা যায় না বলে এ দিন মন্তব্য করেছেন অভিষেক— “কোনও রাজনৈতিক দল এই ঘটনা সমর্থন করতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এই ঘটনায় যাঁরা যুক্ত তাঁদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। দু’জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। এই ঘটনায় আমাদের মহিলা সভানেত্রীর একটা ভূমিকা ছিল তা শুনতে পেয়েই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
এই তিন মহিলার সঙ্গে অভিষেক আলাদা করে কথা বলেছেন। অভিষেকের কথায়, “এই তিন বোনের সঙ্গে দেখা করে চা খেয়েছি। তাঁরা কিছু কথা আমাকে আলাদা করে বলেছেন।” দণ্ডি কাটার ঘটনায় তৃণমূলের যাঁদের ভূমিকা রয়েছে, দলগত ভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে আরও পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিষেক।
এ দিন সন্ধ্যায় তপনে চক-সাতিহার গ্রামে গিয়ে দণ্ডি কাটার ঘটনায় তিন মহিলার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গেও জনসংযোগ করেছেন তিনি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ দিন সকালে উত্তর দিনাজপুরে ছাড়ার আগে ইটাহারে জেলার প্রথম সারির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক।
কানহাইলাল আগরওয়াল-সহ উত্তর দিনাজপুর জেলার জোড়াফুলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা উপস্থিত থাকলেও বৈঠকে যাননি ‘বিদ্রোহী’ আব্দুল করিম চৌধুরী। এই বৈঠকে কালিয়াগঞ্জের ঘটনা নিয়ে বিজেপির প্রচারের বিরুদ্ধে পাল্টা ছোট-ছোট সভা করার নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক। কালিয়াগঞ্জে গিয়েও টানা প্রচার করার নির্দেশ তিনি জেলা নেতৃত্বকে দিয়েছেন।
আব্দুল করিম চৌধুরীর সঙ্গে উত্তর দিনাজপুরের জেলা নেতৃত্বের যে সংঘাত চলছে, তা মিটিয়ে নেওয়ার জন্য কানহাইলালকে দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, কানহাইলালকে বলা হয়েছে করিম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করে সংঘাত মেটাতে।