রেল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেলে ঝড়ের মধ্যে ওই লোকাল ট্রেনটির প্যান্টোগ্রাফ ছিঁড়ে যায়। সেই অবস্থাতেই ট্রেনটিকে রসুলপুর স্টেশনে নিয়ে যান ট্রেন চালক। সেখানে ট্রেনটি থেমে যায় বলে জানা গিয়েছে। ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে হয়রানির মুখে পড়েন যাত্রীরা। তাঁর কখন নির্দিষ্ট গন্তব্য পৌঁছতে পারবেন, তা ভেবে চিন্তিত হয়ে পড়েন অনেকে। লোকাল ট্রেনের যাত্রীদের অনেককেই বিকল্প পথে বাড়ি ফেরার চিন্তাভাবনা শুরু করেন।
অভিজিৎ রায় নামে এক যাত্রী বলেন, ‘হঠাৎ করে যান্ত্রিক আওয়াজ আমাদের কানে আসে। তখনই ট্রেনটি বন্ধ হয়ে যায়। রসুলপুর স্টেশনে এসে ট্রেনটি থেমে যায়। দীর্ঘক্ষণ ধরে এখানে ট্রেন বন্ধ হয়ে রয়েছে। আমি জরুরি কাজের জন্য কলকাতা যাচ্ছিলাম। কিন্তু রেলের তরফে দ্রুত সমস্যা সমাধানের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’
স্নেহা পাল নামে আরেক যাত্রী বলেন, ‘অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরা কথা ছিল। অত্যন্ত একটি জরুরি কাজে যাওয়ার কথা রয়েছে এদিকে ট্রেন বন্ধ হয়ে রয়েছে। কীভাবে কখন বাড়ি ফিরব বুঝে উঠতে পারছি না। যদি আজ ওই জরুরি কাজে যেতে না পারি তবে আমার সমস্যা অনেকটাই বাড়বে। খুবই দুশ্চিন্তা হচ্ছে।’
বিগত সপ্তাহে হাওড়া-আমতা লোকাল শাখায় ব্যাহত হয় ট্রেন চলাচল। সেখানেও একই কারণে হয়রানির মুখে পড়েন যাত্রীরা। সকাল ১০ নাগাদ রেলে প্যান্টোগ্রাফ ছিঁড়ে বাধে বিপত্তি। এই কারণে পুরোপুরি রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আপ ও ডাউন লাইনে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয় যে দ্রুততার সঙ্গে কাজ চলছে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
