এ দিন বিচারপতি মান্থার এজলাসে শুনানির সময়ে জাতীয় ও রাজ্য শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনের মধ্যে বিবাদ বাধে। রাজ্য কমিশন মামলায় যুক্ত হওয়ার আবেদন করে। আগেই মামলায় যুক্ত হওয়া জাতীয় কমিশনের তরফে দাবি করা হয়, মেয়েটির মায়ের আবেদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় কমিশনের চেয়ারপার্সন তদন্ত কমিটি গড়েছেন।
ঘটনার পরের দিনই কমিটি ঘটনাস্থলে গিয়েছে। রাজ্যের কমিশনের দাবি, ২১ এপ্রিল এসপি ও ডিএমকে চিঠি দিয়ে পরের দিন ঘটনাস্থলে যায় রাজ্য কমিশনের দল। জাতীয় কমিশনকে সহযোগিতাও করতে পারে রাজ্য কমিশন। বিচারপতি রাজ্য কমিশনকে মামলায় যুক্ত করেন।
এ দিন জাতীয় কমিশনের তরফে দাবি করা হয়, কমিশনের তদন্তে পুলিশের অনেক খামতি, ব্যর্থতা ধরা পড়েছে। সেই নিয়ে রিপোর্ট পেশ করা হবে। বিচারপতি রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, দেহ জ্বালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয় বলে রাজ্য দাবি করেছে। তাতে কেউ কি গ্রেফতার হয়েছে?
রাজ্যের বক্তব্য, ইট-পাথর, লাঠি নিয়ে শ’দুয়েক লোক টায়ার জ্বালিয়ে দেহ আটকে রেখেছিল। সেখান থেকে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে। সেই ঘটনায় ১৭ জন অভিযুক্ত। তিন জন গ্রেফতার হয়েছেন। পুলিশের রিপোর্ট নিয়ে পরিবারের আইনজীবী সোমবার বক্তব্য জানাবেন। জাতীয় কমিশনও ওই দিন তাদের রিপোর্ট পেশ করবে। সে দিনই হবে ফের শুনানি।
