Balurghat Death case : ডিভোর্সের পরদিন বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! মানসিক ধাক্কা সামলাতে না পেরে আত্মঘাতী টুম্পা? – house wife hanged body found in balurghat police started probe


বিবাহ বিচ্ছেদের একদিন পরেই উদ্ধার হল গৃহবধূর নিথর দেহ। এই ঘটনায় দক্ষিণ দিনাজপুর বালুরঘাটের ব্লকের ডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের হলদিডাঙা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে খবর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই গৃহবধূ। মৃতার নাম টুম্পা খাতুন (২৪)।

গৃহবধূর মৃত্যুর খবর জানার পর ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তারা দেহটি উদ্ধার করে মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মৃতার পরিবারের প্রাথমিক অনুমান ডিভোর্সের পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল টুম্পা। বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত হওয়ার পর দেহটি পরিবার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কী কারণে ওই গৃহবধূ আত্মঘাতী হল তা খতিয়ে দেখছে বালুরঘাট থানার পুলিশ।

Dakshin Dinajpur : স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী! এলাকায় শোকের ছায়া
মৃতার পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় বছর চারেক আগে হলদি ডাঙ্গার টুম্পার সঙ্গে কুমারগঞ্জ ব্লকের সীতাহার পুকুরপাড়া এলাকার সাজিদুর ইসলামের বিয়ে হয়। তাদের একটি সন্তান রয়েছে৷ সাজিদুর পেশায় কৃষক৷ প্রেম করেই বিয়ে করেছিলেন টুম্পা ও সাজিদুর। যদিও এই বিয়েতে টুম্পার পরিবারের সম্মতি ছিল না। তবে মেয়ের কথা ভেবে বিয়ে মেনে নেন পরিবারের সদস্যরা।

অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে দম্পতির মধ্যে নানা রকম সমস্যা লেগেই থাকতো। কিছুদিন যেতেই সাজিদুর জানিয়ে দেয় কোনওভাবেই টুম্পার সঙ্গে সংসার করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। ইদের দিনও টুম্পাকে একই কথা বলে সাজিদুর। অবশেষে শনিবার তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

Balughat District Hospital : ময়নাতদন্তেও ‘রেফার’ রোগ! সরকারি হাসপাতালের ভয়াবহ ছবি বালুরঘাটে
সাজিদুরের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর টুম্পা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। বাপের বাড়ির তরফেও এই পরিণতির জন্য টুম্পাকেই দোষারোপ করা হয়। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে অবশেষে সোমবার রাতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয় টুম্পা। বিষয়টি নজরে আসতেই রাতেই ঘটনাস্থলে যায় বালুরঘাট থানার পুলিশ। বিষয়টি জানাজানির পর থেকেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

Dakshin 24 Parganas : উস্তিতে রাস্তার উপর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কালভার্ট, মৃত ১
মৃত গৃহবধূর বাবা যাইদুল মণ্ডল এই বিষয়ে বলেন, ‘নিজেরাই প্রেম করে বিয়ে করেছি। এই বিয়েতে পরিবারের সম্মতি ছিল না। বিয়ের পর থেকেই অশান্তি লেগেই থাকত। কিছুদিন যেতেই সাজিদুর বলে টুম্পার সঙ্গে সে আর সংসার করতে পারবে না। তারা সব রকম ভাবে চেষ্টা করেছিলেন বিয়েটা যাতে না ভেঙে যায়৷ কিন্তু শেষ অবধি গত শনিবার গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয় টুম্পা৷ ডিভোর্সের একদিন পরই আত্মঘাতী হয় সে৷ ডিভোর্সের ধাক্কা হয়তো সহ্য করতে পারেনি ‘



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *