এইসময় ডিজিটালকে নববধূ অভয়া বলেন, ”জীবনের সবথেকে খুশির দিন। ওই দিনও আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল। এত বছর ধরে রোজ যে দাবি তুলে আসছি, ওই দিনও সেই স্লোগানই উঠে আসে গলায়। বাকিরা অনেক বারণ করছিল, আজকের দিনটা থাক। কিন্তু আমার মনে হয়েছিল আজ কেন নয়! তাই আমিই প্রথম স্লোগান তুলি। বন্ধুদের একটু বাধো বাধো ঠেকছিল, ভয় পাচ্ছিল। কিন্তু আমার সঙ্গে ওরাও গলা মেলায়।”
ভাতারের খেড়ুরের বাসিন্দা অভয়া রায়ের কীর্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। নববধূর বিয়ের দিন এমন কাণ্ডে কী প্রতিক্রিয়া ছিল বাড়ি লোকেদের বিশেষত, নতুন শ্বশুরবাড়িতে? অভয়া বলেন, ”আমার বাড়ি অজ পাড়া গাঁয়ে। সেখানকার লোক কেউ আন্দোলন কখনও দেখেনি। আমার স্লোগানিং শুনে প্রথমে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন। ভাবছিলেন, এটা কী হচ্ছে বিয়ের আসরে কনে এমন চেঁচাচ্ছে কেন?” যদিও পরে পুরো বিষয়টা জানতে পেরে সবাই অভয়ার প্রশংসাই করেন। এমনকী হোটেল ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জীবনসঙ্গীর কাছ থেকেও পেয়েছেন অভূত সমর্থন।
বিয়ের সাজেও অভয়ার নিয়োগের স্লোগান ঘুরে বেড়াচ্ছে সকলের সোশাল মিডিয়ার দেওয়ালে দেওয়ালে। ‘বিয়ের আসর থেকে দিচ্ছি ডাক বঞ্চিতরা চাকরি পাক।’ কিন্তু নিয়োগকর্তাদের কানে কী পৌঁছল সেই বার্তা?
