Murshidabad News : কংগ্রেস নেতার বাড়ি ভাঙার নোটিশে সরগরম বহরমপুর – congress leader house demolition notice in baharampur


এই সময়, বহরমপুর: সেচ দফতরের জমিতে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বহরমপুর পুরসভার বিরোধী দলনেতা হীরু হালদারের বিরুদ্ধে। পুর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে কংগ্রেস নেতার ওই পৈতৃক বাড়ি ভাঙার নোটিস ইস্যু করেছেন বহরমপুরের সদর মহকুমাশাসক প্রভাত চট্টোপাধ্যায়। বহরমপুর পুরসভা বর্তমানে তৃণমূলের দখলে। ফলে, এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

মহকুমাশাসক প্রভাত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বহরমপুর পুরসভার পুরপ্রধান ও উপ-পুরপ্রধানের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পরে তদন্ত করে দেখা গিয়েছে, সেচ দপ্তরের সরকারি জমিতে বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেই কারণেই সরকারি জমিতে অবৈধভাবে ওই বাড়িটি নির্মাণ হওয়ায় হীরু হালদার-সহ তাঁর পরিবারের ১০ জনের নামে নোটিস দেওয়া হয়েছে। ২৯ মে-র মধ্যে শো-কজের উত্তর দিতে না পারলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়িটি ভেঙে দেওয়া হবে।”

Uttar 24 Pargana : অভিনব উদ্যোগ! অসহায়দের সহায় হতে বসিরহাটে চালু ‘অবলম্বন’
বহরমপুরের কুঞ্জঘাটা এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পৈতৃক বাড়ি রয়েছে কংগ্রেস কাউন্সিলার তথা বহরমপুর পুরসভার বিরোধী দলনেতা হীরু হালদারের। প্রায় সাত দশকের সেই পৈতৃক বাড়ি ভাঙার নোটিস ইস্যু করার ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে মনে করছে কংগ্রেস। তাদের বক্তব্য, বেছে বেছে কংগ্রেস কর্মীদের ‘শায়েস্তা’ করতে চাইছে তৃণমূল।

হীরু হালদার বলেন, “পুরসভার ভোটে আমাকে হারাতে অনেক চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। কিন্তু পারেনি। রাজনৈতিক লড়াইয়ে হেরে গিয়ে সেই রাগে শুধুমাত্র আমার বাড়ি ভাঙার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে প্রশাসন। আমাকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। তবে, আমার বাড়ি ভাঙলে ভাঙুক। কিন্তু সাধারণ মানুষের বাড়ি ভাঙা হলে আমরা চুপ করে থাকব না।”

Raju Naskar : টিকিট ব্ল্যাকার থেকে ক্ষমতার শীর্ষে রাতারাতি, প্রশ্ন অনেক
তিনি বলেন, “এই এলাকায় সরকারি জমির উপরে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। তাঁদের অনেক দিন আগেই পাট্টা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল সরকার। অহেতুক টালবাহানা করে সমস্যা জিইয়ে রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করলে আমরা আন্দোলনে নামব।”

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ উড়িয়ে বহরমপুর পুরসভার পুরপ্রধান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় বলেন, “এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। সরকারি জমিতে যাঁরা বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন, তাঁদেরও নোটিস দেওয়া হবে। তদন্তে যদি দেখা যায়, কারও আর্থিক সামর্থ্য নেই তাঁদের পাট্টা দেওয়া হবে।”

Dubrajpur Municipality : হাজতে কেষ্ট, জেলায় অভিষেক! কাউন্সিলরের বিস্ফোরক অভিযোগে ‘অস্বস্তি’ তৃণমূলের
তিনি বলেন, “হীরু হালদারের বাড়ি প্রাসাদের মতো। বিশাল এলাকাজুড়ে তাঁর বাড়ি। ফের নিজের বাড়ি তৈরি করার সামর্থ্য রয়েছে। তাই ওই জায়গা ছেড়ে দেওয়া উচিত। প্রশাসনের কাজ প্রশাসন করছে। আমরা আমরা নাক গলায় না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *