সেই সময় ঢেউয়ের সামনে পড়ে যান তিনি। এরপর নিজেকে সামলাতে না পেরে তলিয়ে যেতে থাকেন। সেই দেখেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত নুলিয়ারা জলে ঝাঁপিয়ে পড়েন ওই পর্যটককে উদ্ধার করতে। কয়েক মিনিটের প্রচেষ্টায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। এখানে উপস্থিত এক পর্যটক এই বিষয়ে জানান, “প্রশাসনের তরফ থেকে জলে নামতে বারন করা হয়েছে।
সেই কথা শুনে আমাদের মতো অনেক পর্যটকই জলে নামছেন না বা স্নান করছেন না। কিন্তু এক শ্রেণীর পর্যটক এসেছেন যারা নিয়মের কোনও তোয়াক্কা না করে সমুদ্রে নেমে পড়ছেন। সেরকমই এক পর্যটক আজ আমাদের চোখের সামনেই জলে ভেসে যেতে শুরু করেছিলেন।
কিন্তু বাকি পর্যটকদের চোখে পড়ে গেলে তাঁরা চিৎকার করে নুলিয়াদের ডাকেন। সঙ্গে সঙ্গে নুলিয়ারা ঝাঁপিয়ে পড়ে ওই পর্যটককে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে আনেন। আর কয়েক মিনিট দেরি হলে হয়ত বিপদ ঘটে যেতে পারত”। ওই পর্যটক আরও বলেন, সবার প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলা উচিৎ।
উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র প্রভাব প্রত্যক্ষ ভাবে না পড়লেও সমুদ্র উত্তাল হওয়ার ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর উপকূল এলাকায়। শনিবার বিকেলে প্রশাসনের তরফে ১৫ ই মে পর্যন্ত সমুদ্রে স্নান করতে বারন করা হয়েছে। এই নিয়ে মাইকিংও করেছে প্রশাসন। এবং বিচের কিছু ঘাট দড়ি দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।
কিন্তু এই নির্দেশিকা অমান্য করে এক পর্যটককে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যেতে দেখা গেল রবিবার সকালে। এরপরেই প্রশাসন আরও সক্রিয় ও কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে। যদিও আজ রবিবার দিঘা সহ মন্দারমনি তাজপুর ও শঙ্করপুরে পর্যটকদের ভিড় যথেষ্ট রয়েছে।
