বিকাশ ভবনে শিক্ষা দপ্তর ছাড়াও দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের অফিস রয়েছে। সেই কারণেই বহু মানুষ কাজের জন্য এই অফিসে আসেন। এদিনের দুর্ঘটনায় যিনি আহত হয়েছেন সেই অভিজিৎ সোনারপুরের বাসিন্দা। একটি কাজের জন্য তিনি বিকাশ ভবনে এসেছিলেন। ওই সরকারি ভবনের নিরাপত্তা কর্মীরা অভিজিৎকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলছেন, ‘হঠাৎ করেই যে মাথায় কী পড়ল, তা বুঝতে পারিনি। শুধু মনে হচ্ছিল, আর বোধহয় বাঁচব না।’ বর্তমানে ওই ব্যক্তির অবস্থা স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।
এই প্রথম নয়, মাস তিনেক আগেও বিকাশ ভবনের উত্তর দিকের ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। তবে ওই ঘটনায় কেউ আহত না হলেও দমকলের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বারবার এমন ঘটনায় প্রশ্নের মুখে বিকাশ ভবনের নিরাপত্তা। অবিলম্বে বেহাল অংশগুলি মেরামতের দাবি তুলছেন কর্মীরা। বিকাশ ভবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে পূর্ত দপ্তর। এই দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই খারাপ অংশগুলো মেরামত করা হবে।
