WB Cultivation : এ বার সবজি, ফল-ফুলের উৎকর্ষ কেন্দ্র হচ্ছে রাজ্যে – govt to set up two centers of excellence in two parts of the state to increase production of vegetables fruits flowers and spices


তাপস প্রামাণিক
সব্জি, ফল, ফুল এবং মশলার উৎপাদন বাড়াতে রাজ্যের দু’প্রান্তে দু’টি উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরি করতে চলেছে সরকার। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সব্জি ও ফলের চাষ বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত। তার জন্যে উন্নত প্রযুক্তি সরবরাহ করবে নেদারল্যান্ডস সরকার। নবান্ন সূত্রের খবর, সব্জি ও ফল চাষের জন্যে পুরুলিয়ায় প্রায় ২০ একর জমিতে একটি ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’ তৈরি করা হবে।

Nabanna : ধান কেনায় দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ নবান্নের
ফল ও ফুলের উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরি হবে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার কিংবা দার্জিলিঙে। থাকবে উন্নত মানের নার্সারি। সেখানে আধুনিক উপায়ে শাক-সব্জি এবং ফলের চারা তৈরি করা হবে। গড়ে উঠবে অত্যাধুনিক গ্রিন হাউস এবং পলি হাউস। পতঙ্গ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ রুখতে একাধিক নেটহাউসও বানানো হবে। স্প্রিঙ্কলার মেশিন-সহ সেচের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে। রাজ্যের হয়ে এই প্রকল্প রূপায়ণ করবে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড হর্টিকালচার ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশন’। এই কাজের জন্যে তারা খুব শীঘ্রই পেশাদার এজেন্সি নিয়োগ করতে চলেছে।

নবান্নের এক শীর্ষ কর্তা জানাচ্ছেন, রাজারহাটের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনেই রাজ্যে কৃষির মানোন্নয়নে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে রাজ্য খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দপ্তরের ‘মউ’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে উৎকর্ষ অর্জনে নেদারল্যান্ডসের বিশেষ সুখ্যাতি রয়েছে। বাংলার কৃষির মানোন্নয়নে তারা প্রযুক্তিগত সহযোগিতার অঙ্গীকার করেছে।

Basmati Rice : এবার বাংলার পাশাপাশি ত্রিপুরাতেও বাসমতি চাষ, সেচ নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
সব্জি, ফল, ফুল এবং মশলা উৎপাদনে রাজ্যকে স্বাবলম্বী করে তুলতেই উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্ত। সেখানে উচ্চ ফলনশীল বীজ তৈরি হবে। সব্জি, ফল ও ফুল চাষ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালানো হবে। যেমন, কী ভাবে সব্জির উৎপাদন আরও বাড়ানো যায়। কম জলে কী ভাবে সব্জি চাষ করা যায়। চাষের জন্যে কতটা সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে।

Bengal Saree in Cheapest Rate : মাত্র ৩০০ টাকায় মিলবে বাংলার শাড়ি, দাম বেঁধে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
বিদেশে সব্জি রপ্তানির জন্যে কোন কোন বিষয়ে চাষিদের সতর্ক থাকতে হবে। এ সবই হাতেকলমে শেখানো হবে। আগামী দিনে উৎকর্ষ কেন্দ্র থেকে চাষিদের উন্নত মানের বীজ, চারা বিলি করা হবে। শেখানো হবে চাষের কৌশল। এক কথায় সাধারণ চাষিদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতেই উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা। সরকারি কর্তারা মনে করছেন, এর ফলে আগামী দিনে রাজ্যে সব্জি ও ফলের উৎপাদন বাড়বে। বাইরে থেকে আমদানি করতে হবে না। চাষিরাও বেশি করে লাভের মুখ দেখবেন।

রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এখন চাষের পদ্ধতি আমূল পাল্টে গিয়েছে। তার জন্যে আমরা কৃষি দপ্তরের তরফ থেকে চাষিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহে ব্লকে ব্লকে সেন্টারও তৈরি হয়েছে। সেখান থেকে ট্রাক্টর, পাম্পসেট, ধান কাটা, ধান ঝাড়া ও কীটনাশক ছড়ানোর মেশিন-সহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কম পয়সায় ভাড়া নিতে পারেন কৃষকরা। উৎকর্ষ কেন্দ্র হলে চাষিদের আরও সুবিধা হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *