যদিও আদিবাসীদের সর্ববৃহৎ সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল এই বনধের বিরোধিতা জানিয়েছে । রবিবার রাত্রে তারা ঝাড়গ্রাম শহরে মাইকিং করে জানিয়েছেন, এই বনধ পালন করার দরকার নেই স্বাভাবিক দিনের মতোই জনজীবন থাকবে। বনধের বিরোধিতায় নেমেছিলেন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের জেলার নেতৃত্ব ঢেঁঙ্গা হাসদা । তা সত্ত্বেও সোমবার সকাল থেকেই বনধের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে জেলা জুড়ে, গোপীবল্লভপুরে দোকানপাট খোলা থাকলো রাস্তায় যানবাহনের দেখা নেই। বেলপাহাড়ি ,শিলদা এলাকায় বনধের প্রভাব পড়েছে যথেষ্ট ।
আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযানের পশ্চিমবঙ্গ জোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হেড বুদ্ধেশ্বর মুর্মু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আমাদের এই বাংলা বনধ চলছে । আমরা আশা করছি তা সফল হবে । আজ সকাল থেকে রাস্তায় একটিও বাসের দেখা নেই । গতকাল আমরা জোরালোভাবে মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচার করেছি জেলা জুড়ে । আমাদের মূল দাবি মাহাতো কুড়মি জাতিকে এসটি করার জন্য রাজ্য সরকার যে চক্রান্ত করছে তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে । তাদেরকে এসটি করা মানে মূল আদিবাসীদের জীবন হত্যা করার সমান ।” এই বনধের বিরোধিতা করেছে ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল ।
এই প্রসঙ্গে বুদ্ধেশ্বর মুর্মু বলেন,”আমাদের যেকোনও কার্যক্রমে ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল বিরোধিতা করে । সম্ভবত তারা চাইছে কুড়মি জাতিরা এসটি হোক । তাই কুড়মিদের সমর্থন দিয়ে আমাদের বনধকে সফল করতে দিচ্ছে না ভারত জাগাত মাঝি পারগানা মহল । ভারত জাগাত মাঝি পারগানা মহল গুন্ডাদের মতো কাজ করছে । ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলকে ঝাড়গ্রামের প্রশাসন সহযোগিতা করছে । তাই তাঁরা বনধের বিরোধিতায় প্রচার করতে পারছে । আমরা শান্তিপূর্ণ বনধ পালন করছি । যদি এইভাবে আমাদের সঙ্গে হতে থাকে পুলিশ প্রশাসন যদি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে আগুন জ্বলবে আর তার জন্য দায়ী থাকবে প্রশাসন ।”
