ঘরের মধ্যে লোকজন যারা ছিলেন, তারা প্রত্যেকেই বেরিয়ে এলেও জিনিসপত্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। একাধিক পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ নথি যেমন আধার কার্ড থেকে শুরু করে ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এবং সেই সঙ্গে টাকা পয়সা যা কিছু আছে সবই ঘরের মধ্যে ছিল। সব কিছুই পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বারাসত থেকে দুটো দমকলের ইঞ্জিন এসে প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে মধ্যমগ্রাম থেকে আরও একটি দমকলের ইঞ্জিন নিয়ে আসা হয়। তবে অনেক রাত পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব হয়নি। কারণ এলাকাটি প্রচণ্ড ঘিঞ্জি। ঘটনাস্থলে আছে বারাসত থানার পুলিশ বাহিনী।
আর বস্তিতে থাকা পরিবারগুলি ঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে রাস্তায়। এমনই এক পরিবারের একজন সদস্য জানান, “এই বস্তিতেই আমাদের বাড়ি। রাতে সেই সময় আমরা সবাই শুয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ করে বস্তিতে হইচই শুনতে পাই যে আগুন লেগে গিয়েছে। তড়িঘড়ি উঠে দেখতে পাই একজনের বাড়ি থেকে আগুন ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে।
প্রাণ বাঁচাতে আগে বাইরে বেরিয়ে পড়তে হয়। তাই বাড়ির ভিতরে থাকা মূল্যবান কোনও জিনিসই কেউ সরানোর সময় পাইনি। সব কিছুই শেষ হয়ে গেল”। অন্য এক বাসিন্দা জানান, “আমরা খুবই গরিব মানুষ। তারপর আবার আগুন লেগে সব শেষ। এবার আমরা কোথায় যাব! সরকার থেকে আমাদের সাহায্য করা হোক”।
বারাসত দমকল বিভাগের এক কর্তা জানান, “একজনের বাড়িতে মোমবাতি থেকে আগুন ছড়িয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর সঙ্গে পরপর গ্যাস সিলিন্ডার ব্লাস্ট করে আগুন আরও ভয়ানক আকার ধারণ করেছে। এই মুহূর্তে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলা সম্ভব নয়”।
