এছাড়াও আজ জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের কর্মরত পুলিশ কর্মীদের ছেলেমেয়েরা যারা মাধ্যমিক ভালো করেছে তাদের সংবর্ধিত করেন পুলিশ সুপার। এদিন জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার খান্ডবাহালে উমেশ গনপত জানান, “স্কুলের ছাত্রীদের নিয়ে আত্মরক্ষার কৌশল সহ বিভিন্ন বিষয়ে সচেতেনতা বৃদ্ধি করা হবে।
জলপাইগুড়ি পুলিশ লাইনে ৫ দিনের প্রশিক্ষন শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা ক্রাইমের বিরুদ্ধে কাজ করি। কিন্তু সব কাজ পুলিশ একা কাজ করতে পারবে না। এই কারনে সামাজিক সচেতেনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন আছে। আমরা এরপর সব থানা এলাকাতেই আমরা এই প্রশিক্ষন শিবিরের আয়োজন করব”।
জলপাইগুড়ি অরবিন্দ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক ক্ষৌনিশ গুহ জানান, “জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ উদ্যোগ নিয়েই জেলার মেয়েদের আত্মরক্ষার কৌশল শেখাবার আয়োজন করেছে। আমাদের স্কুলের ৫০ জন ছাত্রী পুলিশের আত্মরক্ষার কৌশল শিখবে। মেয়েরা এই পাঁচ দিনের শিবিরে এসে শিখে তারা ফের স্কুলের অন্যান্য ছাত্রীদের সচেতন করবে”।
জলপাইগুড়ি পুলিশ লাইনে বিজয়িনী প্রকল্পের সূচনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ (গ্রামীন) ওয়াংদেন ভুটিয়া, DSP DIB মানবেন্দ্র দাস, DSP ক্রাইম বিক্রমজিৎ লামা,DSP ট্রাফিক অরিন্দম চৌধুরী, DSP হেডকোয়ার্টার সমীর পাল, সহ জেলার পুলিশ আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত, পুলিশের পক্ষ থেকে ছাত্রীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ এই প্রথম নয়। গত বছরেই পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্কুলের মেয়েদের আত্মরক্ষার কলাকৌশল শেখানোর জন্য এগিয়ে এসেছিল হুগলি জেলা পুলিশ। সিঙ্গুর থানার উদ্যোগে বড়া মধুসূদন বালিকা বিদ্যালয়ের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের আত্মরক্ষার্থে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা। যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে ছাত্রীরা যাতে রুখে দাঁড়াতে পারে তার ব্যবস্থা হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এখনও রাজ্যের সব ছাত্রীরা সে সুযোগ পায় না। ফলে অনেক সময়ই অসহায় অবস্থার শিকার হতে হয় তাঁদের। সেই কারণেই পুলিশের এই উদ্যোগ।
