আক্রমণ থেকে বাদ গেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল নেতার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়াকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ”এদিকে বলছে আমাকে ফাঁসি দিয়ে দিন। এদিকে রক্ষাকবচ চাইতে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে। এ বেঞ্চ থেকে ও বেঞ্চ ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আদালতের সময় নষ্ট করছেন। সরকারি পয়সা অপচয় করছেন। তাকে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চাট্টিখানি কথা নয়। এই চালাকি সবাই বোঝে। একাধিক নেতা আগে এই চেষ্টা করেছেন। এ কোর্ট সে কোর্ট ঘুরে তারা ভিতরে গিয়েছেন। অপেক্ষা করুন। কাজ চলছে।”
এখানেই শেষ নয়, বাঁকুড়ার সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ”৩৬ বছরেই যদি কেউ এতো দুর্নীতি করে, ৭২ এ গিয়ে কি করবে? মোদী ৫০ বছর ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে আছেন। তাকে যারা কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছিল, তারাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। উনি যেন ভুলে না যান, মোদী শাহ কে ফাঁসাতে কেস গুজরাট থেকে তুলে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তারা সেখানেও গেছেন। কেউ রাস্তা অবরোধ করেনি। কেউ কোর্টের বিরুদ্ধে যায়নি। কেউ সরকারকে গালাগাল দেয়নি। আমরা আগুনের থেকে সোনা চকচকে হয়ে বেরিয়ে আসার মতো কোর্টে নির্দোষ প্রমাণ হয়ে বেরিয়ে এসেছি। ”
রাজ্যে একের পর এক বিস্ফোরণ ও বাজির রমরমা নিয়েও সরব দিলীপ ঘোষ। বলেন, ”রাজ্যে নতুন কোনও শিল্প নেই। বোমা বন্দুকই এখানকার শিল্প। যেকোনও নেতার বাড়িতে বোমা ও মশলা পেয়ে যাবেন। এই লোকগুলো সব সমাজবিরোধী। পার্টির টিকিটে নেতা হয়েছে। অভ্যাস যায়নি। এরাই তৃণমূল কংগ্রেসকে টিকিয়ে রেখেছে। মানুষ যোগ্য জবাব দেবে। ”
একইসঙ্গে এগরার বাজি করাখানার মালিক ভানু বাগের মৃত্যু নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ”উনি মারা গিয়েছেন? না মেরে দেওয়া হয়েছে জানি না। এগরা থেকে বাইকে গাড়িতে কটক চলে গেল। তারপর মারা যান!!! বিষয়টা সন্দেহের উর্ধে নয়। বাজি কারখানায় বাজি তৈরি ও জমা থাকেই। এটাই কুটিরশিল্প। যারা অবৈধ ব্যবসা করছেন, তাদের আটকানো দরকার ছিল। হয়নি। তারপর গরিবের সারা বছরের পুঁজি, সমস্ত বাজি পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে চলে আসছে। এই ব্যবসায় সরকারি অনুমতি আছে। তাহলে তো শিবকাশিতেও ব্যবসা তুলে দেওয়া উচিৎ। পুলিশ টাকা নেয়। তাই মারা যায় সাধারণ মানুষ। ভানুর ক্ষেত্রে বিষয়টা অন্য। ও দোকানের লাইসেন্স নিয়ে বাজির কারবার চালাত।”
