দেরিতে হলেও বেআইনি বাজি উদ্ধার এবং ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। কয়েকদিন আগে হুগলি গ্রামীন পুলিশ প্রায় ৮০০ কেজি বেআইনি বাজি আটক করে। গ্রেফতার করা হয় ১১ জনকে। এরপর গতকাল রাতে চুঁচুড়া কামারপাড়া থেকে ২৫ কেজি বেআইনি শব্দ বাজি আটক করে পুলিশ।
গ্রেফতার করা নয় ভাস্কর আড্ডি নামে এক ব্যক্তিকে। ধৃতকে আজ চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হয়। অন্যদিকে ৯০০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে হুগলি গ্রামীনের চন্ডীতলা থানার পুলিশ। অশোক নাথ, মাদায় নাথ ও অসিত রায়কে বেগমপুরের খড়শরাই এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের শ্রীরামপুর আদালতে পেশ করা হয়।
বেআইনি বাজির বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান জারি থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হুগলি গ্রামীণ পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, “সব অভিযানই চালানো হচ্ছে গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে। এরপর আরও অনেক জায়গায় তল্লাশি চালানোর কথা আছে। তদন্তের স্বার্থে এখন বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে তল্লাশি জারি থাকবে”।
গত এক সপ্তাহের মধ্যে বাজি বিস্ফোরণে হারিয়েছে অনেকগুলি প্রাণ। এগরা, বজবজের জোড়া দুর্ঘটনার রেশ কাটার আগেই ফের বিস্ফোরণের ঘটনা সামনে এসেছে বীরভূমের দুবরাজপুরে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী বর্তমানে একমাত্র গ্রিন বাজিই বৈধ। পশ্চিমবঙ্গে গ্রিন বাজির আওয়াজ ৯০ ডেসিবেলের মধ্যে হতে হয়।
অন্য রাজ্য়ের ক্ষেত্রে গ্রিন বাজির শব্দ ১২০ ডেসিবেল। কিন্তু, এগরা থেকে বজবজ, বারবার প্রশ্ন একটাই উঠছে, এই নিয়ম ভাঙা হচ্ছে কেন? উঠছে প্রশ্ন। এদিকে, রাজ্য জুড়ে এই ব্যাপক ধরপাকড়ের পরে রাজ্যে বাজি ব্যবসার ভবিষ্যৎ কি, সেই বিষয়ে সন্দিহান হয়ে উঠেছেন বাজি ব্যবসায়ী ও এর সঙ্গে জড়িত মানুষরা।
