পাশাপাশি একজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। শুধুমাত্র বালুরঘাট নয় জেলার অন্যান্য থানা এলাকাতেই অভিযান চলছে বলে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। অন্যদিকে নিষিদ্ধ বাজি মজুদ রাখার অভিযোগে দুজন ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে হরিরামপুর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হরিরামপুর থানার পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে।
তাদের কাছ থেকে পুলিশ ১৪ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে। ধৃত দুই ব্যবসায়ীর নাম রমেন গুপ্তা এবং সোমিও গুপ্তা। তাদের বুধবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। উদ্ধার হওয়া বাজির বাজার মূল্য ১৫ হাজার টাকা। মূলত রাজ্যের বিভিন্ন বাজি কারখানায় এবং গুদামে আগুন লাগার ঘটনা এবং বিস্ফোরণের ঘটনার পরেই সতর্ক হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ ও প্রশাসন।
যাতে এই জেলাতেও বাজি গুদাম থেকে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। এই বিষয়ে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বললেন, “দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বাজি কারখানা নেই। তবে অনেকে বাজি মজুদ করে রাখেন। কেউ বাজি মজুদ রাখলে তা বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে।
বাজি কারখানা না থাকলেও যারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে”। অন্যদিকে এই বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার রাহুল দে বলেন, “অবৈধভাবে বাজি মজুদ রাখার ঘটনায় তিনজনকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে।
জেলা জুড়ে অবৈধ বাজি রাখার বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযান এখুনি থামছে না। চলতে থাকবে। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হচ্ছে”। আর পুলিশ প্রশাসনের এই অভিযানে প্রমাদ গুনছেন এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মানুষেরা।
